Latest News

শুভেন্দুদের ধর্না গয়েশপুর ফাঁড়িতে, ‘যান অ্যারেস্ট করে আনুন, এই আমি বসলাম’

দ্য ওয়াল ব্যুরো, নদিয়া: অন্য মেজাজে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

শনিবার গয়েশপুরে বিজেপি কার্যালয়ে গিয়েছিলেন শুভেন্দু। সঙ্গে ছিলেন ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং-সহ বিজেপির নেতানেত্রীরা। কয়েক দিন আগেই এই কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছিল। এদিন সেখানে শুভেন্দু যাবেন তা আগে থেকেই ঠিক ছিল। সেইমতো বিজেপি নেতাকর্মীরাও আসতে শুরু করেছিলেন। কিন্তু তারমধ্যেই ফের সংঘাত।

বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল পাল্টা লোক জড়ো করে তাদের কর্মীদের উপর হুজ্জুতি চালিয়েছে। এক বয়স্ক বিজেপি কর্মীকে মেরে ঠোঁট ফাটিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

এই ঘটনার পরেই পার্টি অফিস থেকে জমায়েত নিয়ে মিছিল করে ফাঁড়িতে চলে যান শুভেন্দু। সেখানেই দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিককে পুলিশকে বলতে শোনা যায়, “এটা কী হচ্ছে! কোনও প্ররোচনা নেই অথচ ধরে বয়স্ক লোকটাকে পিটিয়ে দিল? আপনারা কী করছেন? এ তো জঙ্গলের রাজত্ব।”

তিনি বিরোধী দলনেতা। তাঁর সাংবিধানিক মর্যাদা রয়েছে। ফলে পুলিশও তাঁকে ঠান্ডা করতে ব্যস্ত! ওই পুলিশ আধিকারিককে বলতে শোনা যায়, “স্যার স্যার, আসুন আসুন! স্যার ভিতরে আসুন স্যার প্লিজ!” এরপরেই ফাঁড়ির ভিতরে ঢুকে একটি ফাইবারের চেয়ারে বসে পড়েন বিরোধী দলনেতা।

চোখেমুখে ক্রোধ স্পষ্ট। আঙুল উঁচিয়ে পুলিশের উদ্দেশে তাঁকে বলতে শোনা যায়, “যান অ্যারেস্ট করে আনুন। যান যান, এখনই অ্যারেস্ট করে আনুন। এই আমি বসলাম। আমাকে চেনেন না।”দেখা যায় শুভেন্দু ভিতরে ঢুকে পড়তে পিলপিল করে সঙ্গে থাকা বিজেপি নেতারাও থানার ভিতরে ঢুকে কেউ চেয়ারে কেউ মেঝেতে বসে পড়েন। ছিলেন অর্জুনও।

যদিও বেশিক্ষণ সেখানে ছিলেন না নন্দীগ্রামের বিধায়ক। মিনিট দশেক থেকেই বেরিয়ে আসেন। পুলিশ অবশ্য তাঁদের জানান, তাঁরা গোটা ঘটনা দেখে ব্যবস্থা নেবেন।

You might also like