Latest News

নতুন জেলার স্বপ্ন সফল হবে না, দিল্লি যাওয়ার আগে হুঙ্কার শুভেন্দুর

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোমবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বড় ঘোষণা করেছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে বাংলায় আরও সাতটি জেলা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু রাতে দিল্লি যাওয়ার আগে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) কার্যত হুঙ্কার দিয়ে গেলেন, সেই স্বপ্ন সফল হবে না।

মঙ্গলবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর। রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারেরও সেখানে থাকার কথা। এদিন কলকাতা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিরোধী দলনেতা বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর এই স্বপ্ন সফল হবে না। বঙ্গ নাম হয়নি। বিধান পরিষদ হয়নি। মুখ্যমন্ত্রীর আচার্য হওয়া হয়নি। এটাও হবে না।”

যদিও পর্যবেক্ষকদের অনেকের বক্তব্য, জেলা ভাগের ব্যাপারে কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমোদনের বিষয় নেই। শুভেন্দু এসব বলছেন শুধুমাত্র রাজ্যের বিরোধিতার জন্যই।

শুভেন্দুর বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রী তাঁর স্তাবক আইপিএস এবং আইএএসদের রাজ্যে রেখে দেওয়ার জন্যই কৌশলে এই ঘোষণা করেছেন। তাঁর কথায় সেন্ট্রাল ক্যাডারের আইপিএস-আইএএসদের ক্ষেত্রে কেন্দ্র-রাজ্যের যে আনুপাতিক হার হওয়া উচিত তাতে মাত্র ১১ জন দিল্লিতে ডেপুটেশনে রয়েছেন। থাকার কথা ৪৪ জনের।

উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলাকে যে মুখ্যমন্ত্রী ভেঙে ছোট করবেন সে কথা অনেকদিন ধরেই বলছেন। এদিন ঘোষণার পর দেখা গিয়েছে, নদিয়া, বাঁকুড়া মুর্শিদাবাদকেও ছোট করেছে নবান্ন। এতে স্থানীয় মানুষের আবেগও জড়িয়ে রয়েছে।

শুভেন্দুর অবশ্য দাবি, এর আগেও মুখ্যমন্ত্রী অনেকগুলো জেলা ভেঙেছিলেন। কিন্তু কোনওটির ক্ষেত্রেই পর্যাপ্ত প্রশাসনিক পরিকাঠামো গড়ে তোলা যায়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর আগে পশ্চিম মেদিনীপুর ভেঙে ঝাড়গ্রাম, দার্জিলিং ভেঙে কালিম্পং, জলপাইগুড়ি ভেঙে আলিপুরদুয়ার এবং বর্ধমান ভেঙে পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান করেছেন।

আরও পড়ুন: এসএসসির আন্দোলনকারীদের চাকরি দিতে আইনি ব্যবস্থার কথা ভাবছে তৃণমূল, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

You might also like