Latest News

Sunil : চিন্তন শিবির চলাকালে ফেসবুক লাইভে ক্ষোভ উগরে দল ছাড়লেন পাঞ্জাবের কংগ্রেস নেতা

দ্য ওয়াল ব্যুরো : শুক্রবার উদয়পুরের চিন্তন শিবির থেকে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে কেরলের প্রবীণ কংগ্রেস নেতা কে বি থমাসকে বহিষ্কারের কথা ঘোষণা করেছিল দল। চব্বিশ ঘণ্টা পেরনোর আগে দেশের আর এক প্রান্তে কংগ্রেস ছাড়লেন এক প্রভাবশালী প্রবীণ নেতা। তিনি পাঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি সুনীল (Sunil) জাখর। বিশিষ্ট কংগ্রেস নেতা বলরাম জাখরের পুত্র সুনীল পাঞ্জাবের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ মুখ।

শনিবার ফেসবুক লাইভে দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত জানান তিনি (Sunil)। তাঁর আগে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে কংগ্রেস পরিচয় মুছে দেন। ফেসবুক লাইভে উদয়পুরের চিন্তন শিবির নিয়ে কটাক্ষের সুরে বলেন, ‘কংগ্রেসের এখন চিন্তন নয়, চিন্তা শিবিরের আয়োজন করা দরকার ছিল।’

গতকাল থমাসকে বহিষ্কার করা হয় তাঁর সঙ্গে কেরল সিপিএমের দমরম মহরমের কারণে। দলের হুইপ অমান্য করে তিনি সিপিএমের অনুষ্ঠানে গিয়েছেন। তবে থমাসের সঙ্গে আরও নানা কারণে কেরল কংগ্রেসের ক্ষমতাসীন শিবিরের বনিবনা হচ্ছিল না। তাছাড়া তিনি স্বয়ং রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে নরম হিন্দুত্বের পথে হাঁটার অভিযোগ তুলেছেন।

সুনীল (Sunil) আবার হিন্দুদের প্রতি বঞ্চনার অভিযোগ করে আসছিলেন। চিন্তন শিবির চলাকালে বহিষ্কার এবং পদত্যাগের মতো দু’টি বড় ঘটনা প্রকাশ্যে আসলেও জানা যাচ্ছে বহু কংগ্রেস নেতাই দলের উপর ক্ষুব্ধ। উদয়পুরে ডাক পাননি অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতাই। এমনকী প্রদেশ কার্যকরী সভাপতি, বিরোধী দলনেতা পর্যন্ত আমন্ত্রণ পাননি। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, ডাকা হয়নি কংগ্রেস শাসিত দুই রাজ্য ছত্তিশগড় ও রাজ্যস্থানের মন্ত্রীদেরও। রাজস্থানে শিবির হলেও অংশ নিচ্ছেন শুধু মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলত এবং নবীন নেতা সচিন পাইলট

সুনীলকে গতমাসে শো-কজ করেছিল দল। কেরলের থমাসের মতো তিনিও দলের কারণ দর্শানোর চিঠির জবাব দেওয়া প্রয়োজন মনে করেননি। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিধানসভা ভোটে দলের বিরুদ্ধাচরণ করেছেন।

সুনীল জাখরের সঙ্গে গোলমালের সূত্রপাত চরণজিৎ সিং চান্নিকে নিয়ে। ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে যাওয়ার পর ভোট পর্যন্ত চান্নিকে মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলানোর ভার দেওয়া হয়েছিল। অন্তত সেটাই ছিল দলীয় সিদ্ধান্ত। কিন্তু ভোট ঘোষণার পর আচমকাই রাহুল গান্ধী চান্নিকে কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী ঘোষণা করে দেন। ওই ঘোষণায় অনেকেই অবাক হন। কারণ, রাহুল কারও সঙ্গে আলোচনা পর্যন্ত করেননি বলে অভিযোগ।

রাহুলের সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সুনীল। তাঁর বক্তব্য, চান্নির চাইতেও অনেক বেশি রাজনৈতিকভাবে ওজনদার নেতা পাঞ্জাব কংগ্রেসে ছিল। খোলাখুলি বলেন, আমি হিন্দু বলে আমার নাম বিবেচিত হয়নি।

আরও পড়ুন : গৌতম আদানি অথবা তাঁর স্ত্রী প্রীতিকে রাজ্যসভায় পাঠাতে চান জগন, চাইছে বিজেপিও

You might also like