Latest News

সকাল থেকেই কালো মেঘ, বৃষ্টি নামছে ঝেঁপে! ঝড়জলেই কি শীত-বিদায় রাজ্যে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শীতবিদায় কি হয়েই গেল! আজ, শুক্রবার একধাক্কায় চার ডিগ্রি বেড়েছে তাপমাত্রা। সেইসঙ্গে সকাল থেকেই ঝোড়ো হাওয়া। কুয়াশার বদলে আকাশ জুড়ে কালো মেঘ। রোদের দেখা নেই। ঠিক যেন বর্ষার পূর্বাভাস! আবহাওয়ার এই খামখেয়ালিপনায় প্রমাদ গুণছেন সকলেই।

আজ উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গ মিলিয়ে মোট ১৪টি জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। আগামীকাল, শনিবারও হতে পারে বৃষ্টি। বৃষ্টির সঙ্গেই শীত ফুরিয়ে বসন্ত আসবে, এমনটাই বলছেন আবহাওয়া কর্তারা।

শুক্রবার কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৮.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের থেকে ৪ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৬ শতাংশ।

ইতিমধ্যেই এগিয়ে এসেছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। সেই কারণে প্রচুর পরিমাণে জলীয়বাষ্প প্রবেশ করতে শুরু করেছে রাজ্যে। ফলে আজ থেকে শুরু করে সপ্তাহান্ত পর্যন্ত চলবে বৃষ্টি। কলকাতাতেও মাঝারি থেকে হালকা বৃষ্টি হবে।

আগামী দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পূর্ব বর্ধমানে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। দক্ষিণবঙ্গে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায় বৃষ্টি হবে। পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। মোটের উপর দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হবে। পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, নদিয়া ,মুর্শিদাবাদের মতো জেলাগুলির মতো কিছু জায়গায় বেশি বৃষ্টি হবে। ৫ ফেব্রুয়ারি বৃষ্টি আবার কমে যাবে দক্ষিণের জেলাগুলিতে।

আজ, উত্তরবঙ্গের সমস্ত জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। দু’এক জায়গায় ভারী বৃষ্টিও হবে। কিছু কিছু জায়গায় শিলা বৃষ্টিও হতে পারে। কালও উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু জায়গায় বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। রাতের তাপমাত্রা আগামী দিনে আরও দু’ডিগ্রি বাড়বে।

সোমবার থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হতে পারে। তবে শীত আর থাকবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

গোটা শীতকাল জুড়ে কয়েক দফা বৃষ্টির পরে জানুয়ারির শেষে শীতের ঝোড়ো ব্যাটিং উপভোগ করেছে রাজ্য। গত সপ্তাহের প্রায় গোটা সময়টাই ঠান্ডা ছিল জাঁকিয়ে। বৃহস্পতিবার থেকে বদলাতে শুরু করে তাপমাত্রা। নতুন বছরে আবহাওয়া কেমন থাকবে, তাই নিয়েই এখন চিন্তা। মনে করা হচ্ছে, অতিবৃষ্টি ও খরা– দুইয়েরই শিকার হতে পারে বাংলা।

You might also like