Latest News

দুবরাজপুরে চোর ভেবে ‘ভুল করে’ বেধড়ক মার মানসিক ভারসাম্যহীন আদিবাসীকে! দেখুন ভিডিও

দ্য ওয়াল ব্যুরো: একেই আদিবাসী, তার ওপর মানসিক ভারসাম্যহীন। কাজেই, তিনি যাই বলার চেষ্টা করছিলেন সবটাই যে শহুরে মানুষের বোধের বাইরে। তাই ভুল করে একজনের বাড়িতে ঢুকে পড়ে বেধড়ক মার খেলেন চৈতন মুর্মু। তবে ভাগ্যিস কাছেপিঠে ছিলেন এক মাস্টারমশাই, তিনিই প্রথম বোঝেন, যে যুবক সাঁওতালি ভাষায় কথা বলছেন। তারপরই কৌশলে চৈতনকে উদ্ধার করেন তিনি।

ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের দুবরাজপুর থানা এলাকায়। পুলিশের সাহায্য নিয়ে চৈতন মূর্মুকে এদিন নিরাপদে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে শনিবার রাতে দুবরাজপুর থানার হেতমপুরের এক মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক একজনের বাড়িতে ঢুকে পড়েছিল। কিন্তু পাড়ার লোকজন চোর ভেবে তাঁকে দু’এক থাপ্পড় কষিয়ে দেন। তখন বিষয়টি স্থানীয় বাসিন্দা তথা স্কুল শিক্ষক বিভাস দত্তের নজরে আসে । তিনি সেই ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে নিমেষে বুঝতে পারেন যে উনি আদিবাসী সম্প্রদায়ের। তৎক্ষণাৎ সহকর্মী আরেক শিক্ষক অজয় মাণ্ডিকে নিয়ে এসে তাঁর সঙ্গে সাঁওতালি ভাষায় কথা বলেন।

দেখুন ভিডিও।

তখনই পরিচয় দেন চৈতন মুর্মু, জানান, মালদার গাজল থানার আরাজি জালসা গ্রামের বাসিন্দা তিনি।

এরপর দুই শিক্ষক ও প্রতিবেশীরা রাতে খাওয়ার এবং থাকার ব্যবস্থা করে দেন চৈতনের।সকাল হলে তাঁকে মালদাগামী একটি বাসে চাপিয়ে দিতেন এই ছিল পরিকল্পনা। কিন্তু সকাল হতেই চৈতন অন্যত্র পালিয়ে যান। দুই শিক্ষক আবার তাঁর খোঁজ শুরু করেন। অবশেষে হেতমপুর পঞ্চায়েত এলাকার গিরিডাঙ্গাল গ্রামে তাঁকে খুঁজে পান।

তারপরে তাঁরা দুবরাজপুর থানার পুলিশের কাছে চৈতনকে তুলে দেন। পুলিশ পরিবারে যোগাযোগ করতে বাড়ির লোক এসেই একেবারে চৈতনকে নিয়ে যান। ঘরের ছেলেকে শেষমেশ ঘরে ফিরিয়ে দিতে পেরে স্বস্তিতে দুই মাস্টারও।

 

You might also like