Latest News

তৃণমূলের ফের প্রার্থী বদল, বিধায়ক অরিন্দমকে সরাল দল, ব্যতিক্রম কেবলই দুলাল

দ্য ওয়াল ব্যুরো: চাঁপদানির বিধায়ক তথা বৈদ্যাবাটি পুরসভার বিদায়ী চেয়ারম্যান অরিন্দম গুঁইনকে প্রার্থী তালিকা থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল তৃণমূল। শনিবার অরিন্দমকে কলকাতায় ডেকে শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে বলে দেওয়া হয়েছে, তুমি বিধায়ক। তাই তোমায় প্রার্থী করা হচ্ছে না। নাম ঘোষণা হয়েছে ঠিকই, কিন্তু তুমি দাঁড়াচ্ছ না। তবে ব্যতিক্রম হিসেবে বিধায়ক হয়েও পুরসভা ভোটে টিকিট পাচ্ছেন মহেশতলার দীর্ঘ দিনের চেয়ারম্যান দুলাল দাস।

শুক্রবার বিকেলে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণার সাংবাদিক বৈঠকে মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় দুটি মৌলিক মানদণ্ডের কথা বলেছিলেন। এক, কোনও বিধায়ক টিকিট পাবেন না পুরসভা ভোটে। এবং দুই, একই পরিবারের অনেকে যেন প্রার্থী না হন সেটা খেয়াল রাখা হয়েছে।

তারপর নাটকের পর নাটক চলে। প্রথমে একদফা প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ফেসবুকে আপলোড করে মিডিয়া গ্রুপে সার্কুলেট করে দেওয়া হয়। কিন্তু তার পরক্ষণেই জানা যায়, ওই তালিকা নাকি ভুয়ো। অর্থাৎ, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত বক্সীরা যে স্পাইরাল বুক নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেছিলেন, তার সঙ্গে ওই তালিকার মিল নেই। তারপর দীর্ঘ বৈঠকের পরে ‘আসল’ তালিকা জেলা সভাপতিদের পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেখানে দেখা যায়, পার্থবাবু বিকেলে যা বলেছিলেন  তার চিহ্ন নেই।

কেন?

দেখা যায় বৈদ্যবাটি পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী করা হয়েছে অরিন্দম গুঁইনকে। এবং মহেশতলার বিধায়ক দুলাল দাসও পুরভোটে টিকিট পেয়েছেন। কিন্তু বিধায়করা কী করে টিকিট পেলেন? দলের মৌলিক নীতি কোথায় গেল? সেই প্রশ্নের উত্তর তৃণমূল দেয়নি। কিন্তু দলের মধ্যে চর্চা শুরু হয়েছিল। বৈদ্যবাটিতে ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায় এ নিয়ে। কারণ অরিন্দম প্রার্থী না হলে অন্য একটি গোষ্ঠীর মাথার চেয়ারম্যানের  দরজা খুলে যাবে। সেই সমীকরণ থেকেই বৈদ্যাবাটি-শেওড়াফুলির তৃণমূল আন্দোলিত হয়ে ওঠে।

কিন্তু এদিন দেখা যায়, অরিন্দমকে ডেকে বলে দেওয়া হল, তুমি প্রার্থী হচ্ছ না। বৈদ্যবাটির ২ নম্বর ওয়ার্ডে অন্য একজনকে প্রার্থী করছে তৃণমূল। ব্যতিক্রম কেবল দুলাল বাবু।

সরস্বতী পুজোর দুপুরেও প্রার্থী তালিকা নিয়ে তৃণমূলের নেতারা আলোচনায় বসেছেন। মনে করা হচ্ছে আরও কিছু পুরসভায় আরও কিছু ওয়ার্ডে প্রার্থী অদলবদল হতে পারে।

You might also like