Latest News

কমিশনের ফুলবেঞ্চ আসছে, আগেই দুই মহিলা আমলাকে ইলেক্টোরাল অফিসার পদে নিয়োগ নবান্নর

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বুধবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ কলকাতায় আসার কথা। অর্থাৎ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা সহ কমিশনের শীর্ষ কর্তারা বাংলায় ভোটের প্রস্তুতি ও পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে আসছেন।

তার ঠিক ২৪ ঘন্টা আগে দুই মহিলা আইএএস অফিসারকে ইলেক্টোরাল অফিসার পদে নিয়োগ করে দিল নবান্ন। মহিলা ও শিশু কল্যাণ দফতরের সচিব ছিলেন সঙ্ঘমিত্রা ঘোষ। তাঁকে অতিরিক্ত চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে অর্থ দফতরের সচিব স্মারকি মহাপাত্রকে নিয়োগ করা হয়েছে জয়েন্ট চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার পদে।

কমিশনের ফুল বেঞ্চ আসার প্রাক সন্ধ্যায় এই নিয়োগ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। রাজ্যে বর্তমানে চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার হলেন আরিজ আফতাব। তিনি পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারেরই আইএএস অফিসার। নতুন দুই অফিসারও স্বাভাবিক ভাবেই পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের অফিসার।

বাংলায় ভোট যে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ হয় না সে ব্যাপারে বিরোধীদের অভিযোগ বরাবরের। বাম জমানায় এই অভিযোগ করত তৃণমূল। আর তৃণমূল জমানায় সেই এক অভিযোগ করে বিজেপি,কংগ্রেস ও বামেরা। আধা সামরিক বাহিনী মোতায়েন, পুলিশি ব্যবস্থা ইত্যাদি নিয়েও বিরোধীদের অভিযোগ লেগেই থাকে।

সেদিক থেকে এ বার বাংলায় ভোট কতটা অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করা যাবে তা জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সামনেও বড় চ্যালেঞ্জ। ২০১৬ সালের ভোটে দেখা গিয়েছিল, এ ব্যাপারে কঠোর অবস্থান নিয়ে চলছে কমিশন। এমনকি ভোটের সময়ে কলকাতার পুলিশ কমিশনার পদ থেকে রাজীব কুমারকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। উনিশের লোকসভা ভোটের সময়েও রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিবের পদ থেকে অত্রি ভট্টাচার্যকে সরিয়ে দিয়েছিল কমিশন। তা ছাড়া একাধিক জেলার পুলিশ সুপার ও বিভিন্ন কমিশনারেটের পুলিশ কমিশনারকে বদলি করা হয়েছিল।

কাল কমিশনের ফুল বেঞ্চ আসার আগে মঙ্গলবার বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি মুকুল রায় বলেন, “এ বার ভোটে তো তৃণমূল মরিয়া। ভোট চুরি, বুথ দখল, বিরোধীদের মারধর কিছুই বাদ রাখবে না। যে ভাবে বিজেপির মিছিলের উপর হামলা হচ্ছে তাতে বোঝা যাচ্ছে ওরা বেপরোয়া হয়ে গিয়েছে। ফলে কমিশনের উপরই গণতন্ত্রকে রক্ষা করার দায়িত্ব রয়েছে। ভোট যাতে সুষ্ঠু হয়, মানুষ যাতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে তা কমিশনকে নিশ্চিত করতে হবে। নইলে ভোট করানোর কোনও মানে হয় না।”

You might also like