Latest News

পথে নেমে বিক্ষোভ হাতির হানায় নাকাল গ্রামবাসীদের, মেদিনীপুরে রাজ্য সড়ক অবরোধ

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, গত কয়েকদিন ধরে আনন্দপুরের বিভিন্ন গ্রামে ব্যাপক তাণ্ডব চালাচ্ছে একদল হাতি। খেতের ফসল নষ্ট করার পাশাপাশি ঢুকে পড়ছে লোকালয়েও। বারবার বন দফতরকে জানিয়েও কোনও ফল না মেলায় পথে নামেন চাষিরা।

দ্য ওয়াল ব্যুরো, পশ্চিম মেদিনীপুর: শীতের মরসুমে ফসল পাকলেই প্রতি বছর দলমা থেকে নেমে আসে হাতির পাল। চাষের খেত তোলপাড় করে তারা। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বারবার হাতির হানায় ফসল নষ্ট হচ্ছে চাষিদের। ক্ষতিপূরণের দাবিতে সোমবার আনন্দপুর-মেদিনীপুর রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামবাসীরা।

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, গত কয়েকদিন ধরে আনন্দপুরের বিভিন্ন গ্রামে ব্যাপক তাণ্ডব চালাচ্ছে একদল হাতি। খেতের ফসল নষ্ট করার পাশাপাশি ঢুকে পড়ছে লোকালয়েও। বারবার বন দফতরকে জানিয়েও কোনও ফল না মেলায় পথে নামেন চাষিরা। ক্ষীরকুল গ্রামের কাছে ক্ষতিপূরণের দাবিতে শুরু হয় অবরোধ। প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে চলে অবরোধ। পরে আনন্দপুর থানার পুলিশ ও বন দফতরের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেন গ্রামবাসীরা।

শনিবারেও সাতসকালে মেদিনীপুর সদর ব্লকের চাঁদরা রেঞ্জের ডালকাটা গ্রামে ঢুকে দাপিয়ে বেড়ায় দলমার একটি দলছুট হাতি। হুলুস্থুল কাণ্ড বাদএ গোটা গ্রাম জুড়ে। একাধিক বাড়িতে ঢুঁ মারে হাতিটি। সাতসকালে বাড়ির দুয়ারে হাতি দেখে রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েন গ্রামবাসীরা।

ওই গ্রামের পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে দিন দুয়েক ধরে দেখা মিলছিল দলছুট দাঁতালটির। খাবারের খোঁজেই সাত সকালে হাতিটি গ্রামে ঢোকে বলে দাবি স্থানীয়দের। বন দফতরকে খবর দেওয়া হয়, তবে তার আগেই প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে হাতিটিকে কোনওক্রমে জঙ্গলে ফিরতে বাধ্য করেন গ্রামবাসীরা।

পরের পর হাতির হানায় চূড়ান্ত আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েই এদিন ধৈর্যের বাঁধ ভাঙে গ্রামবাসীদের। বন দফতরের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য পথ অবরোধে সামিল হন তাঁরা। পরে বন দফতরের কর্তারা তাঁদের ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দিয়ে অবরোধ তুলে নেন।

You might also like