Latest News

করোনার জন্য মেলা বন্ধ, বিষণ্ণ শান্তিনিকেতনে শুরু হল ঐতিহ্যবাহী পৌষ উৎসব

১৮৪৩ সালে ৭ই পৌষ তারিখে মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্রাহ্মধর্মে দীক্ষিত হন। ১৮৯১ সালের ৭ পৌষ স্থাপিত হয় উপাসনা মন্দির। আর এই দিন মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের দীক্ষা দিবস উপলক্ষে উপাসনার মধ্য দিয়ে পৌষ উৎসব শুরু হয়। পরবর্তীকালে ১৮৯৪ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে পৌষ উৎসব আয়োজিত হয়ে আসছে শান্তিনিকেতনের আশ্রম প্রাঙ্গ‌নে।

দ্য ওয়াল ব্যুরো, বীরভূম: ছাতিমতলায় উপাসনার মধ্যে দিয়ে পৌষ উৎসব শুরু হল। শান্তিনিকেতনের ঐতিহ্যবাহী পৌষ মেলারও সূচনা হয় এই দিনেই। মেতে ওঠে গোটা শান্তিনিকেতন। বাইরে থেকে আসা পর্যটকদের ভিড়ে গমগম করে মেলার মাঠ। কিন্তু এ বার করোনা পরিস্থিতিতে মেলা বন্ধ। তাই বিষণ্ণতা ঘিরে রেখেছে গোটা পরিবেশকে।

এবার শুধুই প্রথা মেনে শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট ও বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ পালন করছে ১২৬তম পৌষ উৎসব। সকালবেলা ছাতিমতলায় উপাসনা ও গানের মধ্যে দিয়ে শুরু হয় উৎসব। ১৮৪৩ সালে ৭ই পৌষ তারিখে মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্রাহ্মধর্মে দীক্ষিত হন। ১৮৯১ সালের ৭ পৌষ স্থাপিত হয় উপাসনা মন্দির। আর এই দিন মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের দীক্ষা দিবস উপলক্ষে উপাসনার মধ্য দিয়ে পৌষ উৎসব শুরু হয়। পরবর্তীকালে ১৮৯৪ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে পৌষ উৎসব আয়োজিত হয়ে আসছে শান্তিনিকেতনের আশ্রম প্রাঙ্গ‌নে।

পরে শুরু হয় মেলা। পৌষমেলা উপলক্ষে প্রতিবছর এই সময় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ আসেন এখানে। এবার মেলা বন্ধ। তাই পর্যটকদেরও ভিড় নেই। একরকম শুনশান শান্তিনিকেতনেই পালিত হচ্ছে পৌষ উৎসব।

পরিবেশ সম্পর্কিত নানান বিধিনিষেধ এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বছর কয়েক ধরে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের ঝঞ্ঝাটের পরিবেশে আগেও কয়েকবার পৌষমেলা হবে না বলে ঘোষণা করেছিল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। যদিও পরে তা প্রত্যাহার করে পৌষমেলার আয়োজন করা হয়। তবে চলতি বছর করোনা পরিস্থিতিতে পৌষমেলার আয়োজন হবে না বলে আগেই জানিয়ে দিয়েছিল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ।

এই বছর বিশ্বভারতীর শতবর্ষ। বৃহস্পতিবার বিশ্বভারতীর শতবর্ষ উৎযাপন অনুষ্ঠা‌নে উপস্থিত থাকার কথা রাজ্যপাল ও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর। ভার্চুয়ালি যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। তাই এখন সাজো সাজো রব বিশ্বভারতীতে।

You might also like