Latest News

ফেলে যাওয়া আধার কার্ডের জেরক্সেই খুনির খোঁজ বর্ধমানে, পালশিটে উদ্ধার হয়েছিল যুবকের দেহ

ধৃতের নাম হাবুল রায়। হুগলির পান্ডুয়া থানার বাঁটিকা গ্রামের রায়পাড়ায় ধৃতের বাড়ি। বাড়ি থেকেই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। ধৃতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় খুন সহ আরও বিভিন্ন ধারায় বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। খুনে জড়িত থাকার কথা ধৃত কবুল করেছে বলে পুলিসের দাবি। তার সঙ্গে আরও কয়েকজন খুনে জড়িত বলে পুলিশ জানিয়েছে।

দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: মেমারি থানার পালশিটে উদ্ধার হওয়া দেহের পাশে মিলেছিল একটি ব্যাগ। তাতে আধার কার্ডের জেরক্স ও নগদ ২৭০ টাকা। এই ব্যাগই হদিশ করে দিল শক্তিগড় থানার তাঁতখণ্ডের বুদু শেখ (৪২) এর আততায়ীর।

ধৃতের নাম হাবুল রায়। হুগলির পান্ডুয়া থানার বাঁটিকা গ্রামের রায়পাড়ায় ধৃতের বাড়ি। বাড়ি থেকেই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। ধৃতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় খুন সহ আরও বিভিন্ন ধারায় বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। খুনে জড়িত থাকার কথা ধৃত কবুল করেছে বলে পুলিসের দাবি। তার সঙ্গে আরও কয়েকজন খুনে জড়িত বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করে পুলিশ। খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের জন্য এবং জড়িতদের হদিশ পেতে ধৃতকে ১০ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায় পুলিশ। ৭ দিনের আবেদন মঞ্জুর করেন সিজেএম সুজিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়।

সোমবার সকালে কাজে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন শক্তিগড় থানার তাঁতখণ্ডের বুদু শেখ (৪২)। রাতে তিনি বাড়ি ফেরেননি। পরেরদিন পালশিটে একটি পেপারমিলের কাছে তাঁর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মৃতের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন ছিল। পায়ে গুলির দাগও ছিল। মৃতের দাদা শেখ কালো ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহটি বুদুর বলে শনাক্ত করেন। পরে তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে খুন ও প্রমাণ লোপাটের ধারায় মামলা রুজু করে তদন্তে নামে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে একটি ব্যাগ উদ্ধার হয়। সেই ব্যাগেই মেলে হাবুলের আধার কার্ডের জেরক্স এবং ২৭০ টাকা।

পুলিশ জানিয়েছে নিহত বুদুর বিরুদ্ধেও খুন সহ নানা ধরণের অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন থানায় তাঁর নামে মামলাও রয়েছে। অপরাধজগতে বুদুর সঙ্গে হাবুলের পরিচয়। একটি খুনের মামলায় তাদের দু’জনের নাম জড়িয়েছিল। তারা জেলও খাটে। কিছুদিন আগে তারা জামিনে ছাড়া পায়। পরিকল্পনামাফিক বুদুকে ডেকে নিয়ে গিয়ে খুন করা হয়েছে বলে পুলিশ জানতে পেরেছে। মেমারি থানার এক অফিসার বলেন, ‘‘কী কারণে এই খুন তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে, এর পিছনে ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়ে বিরোধ থাকতে পারে। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে খুনের মোটিভ জানা যাবে।’’

You might also like