Latest News

মণ্ডল সভাপতিকে গুলি করে খুনের চেষ্টার অভিযোগে মালদহে দিনভর বিক্ষোভ বিজেপির

গুলিবিদ্ধ ওই বিজেপি নেতার বাড়িতেও যান জেলা বিজেপি নেতৃত্ব । বিজেপি নেতার পরিবারের সঙ্গে কথা বলার পর অভিযুক্তের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখান জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে বিক্ষোভ চলে।

দ্য ওয়াল ব্যুরো, মালদহ: বিজেপি নেতাকে গুলি করে খুনের চেষ্টার অভিযোগে সোমবার দিনভর উত্তপ্ত রইল পুকুরিয়া থানার কুমারগঞ্জ এলাকা। জেলা বিজেপি নেতা থেকে শুরু করে স্থানীয় নেতারা দফায় দফায় অভিযুক্তের বাড়ির সামনে গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখালেন।

এদিন বিকেলে আহত বিজেপি নেতা সাদেক আলিকে দেখতে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পৌঁছান রাজ্য বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। সঙ্গে ছিলেন জেলা বিজেপি সভাপতি গোবিন্দ চন্দ্র মণ্ডল সহ অন্য নেতারা।

রবিবার রাত এগারোটা নাগাদ হঠাৎই এলোপাথাড়ি গুলির আওয়াজে কেঁপে উঠে কুমারগঞ্জ এলাকা। সামসি থেকে রাজনৈতিক কর্মসূচি সেরে নিজের বাড়ি যাওয়ার পথে কুমারগঞ্জ এলাকায় বিজেপির মণ্ডল সভাপতি সাদেক আলির ওপর হামলা হয় বলে অভিযোগ। দুষ্কৃতীরা তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে থাকে। তিনটি গুলি গাড়িতে লাগলেও একটি গুলি হাতে লাগে মন্ডল সভাপতির। গুলির আওয়াজ শুনে স্থানীয়রা ছুটে এলে দুষ্কৃতীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় । রক্তাক্ত আহত অবস্থায় রাতেই সাদেক আলিকে ভর্তি করা হয় মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

সায়ন্তনবাবু বলেন, ‘‘রাজ্যজুড়ে তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনী সন্ত্রাস চালাচ্ছে। গতকাল রাতে আমাদের এক নেতাকে গুলি করে খুনের চেষ্টা করে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। যারা গুলি চালিয়েছে তারা পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী ও ছেলে। অদ্ভুতভাবে অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ তাদের এখনও গ্রেফতার করেনি। একসময় মালদহ আম ও রেশম শিল্পের জন্য পরিচিত ছিল। এখন জালনোট বোমা আর অস্ত্রের জন্য কুখ্যাত হয়েছে। রাজ্যে নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পরেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রথম কাজ হবে তৃণমূল নেতাদের বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা।’’

গুলিবিদ্ধ ওই বিজেপি নেতার বাড়িতেও যান জেলা বিজেপি নেতৃত্ব । বিজেপি নেতার পরিবারের সঙ্গে কথা বলার পর অভিযুক্তের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখান জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে বিক্ষোভ চলে।

মালদহ তৃণমূল জেলা সভানেত্রী মৌসম নুর অবশ্য বলেন, ‘‘এগুলো পুরোপুরি ভিত্তিহীন অভিযোগ। নিজেদের সমস্যা লুকানোর জন্য তৃণমূলকে টার্গেট করছে। বিজেপি নেতাদের মধ্যে কোন্দল সৃষ্টি হয়েছে। ভবিষ্যতেও এধরনের ঘটনা ঘটবে। পুলিশ প্রশাসন তার কাজ করছে। আশা করি দোষী তার সাজা পাবে।’’

You might also like