Latest News

সহায়ক মূল্যে ধান না কিনতে চাওয়ায় জেসিবি দিয়ে রাইসমিলের রাস্তা কাটলেন চাষিরা

সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান নিতে অস্বীকার করায় প্রথমে রাইসমিলের সামনে জমায়েত, পরে অবস্থান করেন স্থানীয় কৃষকরা। তাতেও মিল কর্তৃপক্ষ কর্ণপাত না করায় মিলে ঢোকার রাস্তা জেসিবি দিয়ে কেটে দেন ক্ষুদ্ধ চাষিরা।

দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রি করার দাবিতে রাইসমিলের গেটে বিক্ষোভ দেখালেন গলসি ১ নম্বর ব্লকের গলিগ্রাম, মথুরাপুর ও অনুরাগপুর গ্রামের চাষিরা। স্থানীয় একটি রাইসমিল চাষিদের ধান নিতে অস্বীকার করায় জেসিবি দিয়ে রাইসমিলের রাস্তা কেটে প্রতিবাদ জানালেন চাষিরা।

সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান নিতে অস্বীকার করায় প্রথমে রাইসমিলের সামনে জমায়েত, পরে অবস্থান করেন স্থানীয় কৃষকরা। তাতেও মিল কর্তৃপক্ষ কর্ণপাত না করায় মিলে ঢোকার রাস্তা জেসিবি দিয়ে কেটে দেন ক্ষুদ্ধ চাষিরা। চাষিদের দাবি, ২ নভেম্বর থেকে সরকারি সহায়ক মূল্য ধান কেনার নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য সরকার। কয়েকদিন আগে খরিফ মরসুমের ধান কাটাও শুরু হয়েছে। তাই তাঁদের ফলানো ধান কিনতেই হবে।

সুভাষ চ্যাটার্জী, হারাধন ঘোষ, উত্তম ঘোষদের দাবি, এলাকার তিনটি রাইস মিলের বর্জ্য জল ও ছাইয়ে তাঁদের বিঘের পর বিঘে জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মিলের ছাই গুড়ো ঢুকে গ্রামের পরিবেশ দূষিত করছে। তাই ধান স্থানীয় মিল মালিকদেরই নিতে হবে। এই দাবিতেই এলাকার চাষিরা এদিন সকালে এলাকার এই তিনটি রাইস মিলে ধান বিক্রির বিষয়ে কথা বলতে গিয়েছিলেন গ্রামের চাষিরা।

হারাধন ঘোষ বলেন ‘‘স্থানীয় দুটি রাইসমিল আমাদের কাছ থেকে ধান কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কিন্তু গলিগ্রাম লাগোয়া  রাইস মিল কর্তৃপক্ষ চাষিদের থেকে ধান নিতে অস্বীকার করে। তারপরে তিনটি গ্রামের বেশকয়েকজন চাষি একত্রিত হয়ে রাইসমিলের গেটে বেশ কিছুক্ষণ বিক্ষোভ দেখান। রাইসমিলের গেটের সামনে তাঁরা বসে পড়েন। তাতেও বরফ না গলায় মিলের রাস্তা জেসিপি দিয়ে কেটে প্রতিবাদ জানান চাষিরা।

পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহসভাধিপতি দেবু টুডু বলেন, ‘‘ধান কেনার বিষয়ে সরকারি নির্দেশিকা আছে। সরকারি সহায়ক মূল্য ধান বিক্রিতে কোনও সমস্যা বা জটিলতা থাকার কথা নয়। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।’’

You might also like