Latest News

Exclusive: শুধু পরেশ-কন্যা নন, এসএসসিতে গরমিলের গল্প ভূরিভূরি

দ্য ওয়াল ব্যুরো, কোচবিহার:  এ যেন প্যান্ডোরার বাক্স। একে একে বের হচ্ছে গরমিলের নানা গল্প। কীভাবে সদ্য তৃণমূলে যোগ দেওয়া প্রাক্তন ফরওয়ার্ড ব্লক নেতা পরেশ অধিকারীর মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারীর নাম উঠল এসএসসির সফল চাকরিপ্রার্থীদের তালিকায় সে প্রশ্নের উত্তর মেলেনি এখনও। কিন্তু এরইমধ্যে আরও অনিয়ম ধরা পড়ল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফলাফলে। তাই হাইকোর্টের তত্ত্বাবধানে এসএসসির মেধাতালিকা প্রকাশের পরেও নতুন করে কালো মেঘ। আবারও বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টের নজরে আনতে চলেছে শিক্ষকদের সংগঠন।

এই মেধা তালিকায় বাংলা (পিজি) বিষয়ে বাংলা মাধ্যম বিদ্যালয়ের সাধারণ বিভাগে মহিলাদের জন্যে তৈরি তালিকায় ১২ নম্বরে রয়েছে রেখা পালের নাম (রোল নম্বর-৩২২২১৬০৪০০০৩২৭১)। অথচ মহিলা ও পুরুষদের যৌথ তালিকায় রেখা পালের নাম ৪ নম্বরে। এখানেই উঠেছে প্রশ্ন। রেখা পালের আগে থাকা ১১ জন মহিলা প্রার্থীর নাম রয়েছে মহিলাদের জন্যে সংরক্ষিত তালিকায়। তাহলে কম্বাইন্ড অর্থাৎ পুরুষ ও মহিলাদের যৌথ তালিকায় কী করে রেখা পালের নাম ৪ নম্বরে এল ? এই একই বিষয়ের মহিলাদের তালিকায় দুই নম্বরে থাকা ডালিয়া বেরা ঘোষের (রোল নম্বর-৪২২২১৬০৪০০৪০১৮) নামই নেই মহিলা ও পুরুষদের যৌথ তালিকায়।

আরও পড়ুন: Exclusive: তৃণমূলে নাম লেখাতেই প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীর মেয়ের নাম উঠল স্কুল সার্ভিসের তালিকায়

এঁরা ব্যতিক্রম নন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান ( পিজি ) বিষয়ে বাংলা মাধ্যমের মহিলাদের তালিকায় ১ নম্বরে রয়েছে শ্রাবন্তী নায়েকের নাম (রোল নম্বর-১২২২১৬২৭০০০৯৩১) এবং ২ নম্বরে রয়েছে উৎপলা সেনগুপ্তর নাম(রোল নং-২২২২১৬২৭০০০১৭১)। অথচ পুরুষ ও মহিলার যৌথ তালিকায় এই দুজনের নাম নেই। তবে মহিলা তালিকার শেষ দিকে থাকা প্রার্থীদের নাম চলে এসেছে এই যৌথ তালিকার প্রথম দিকে।

২০১৬ সালে এসএসসির একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণিতে নিয়োগের পরীক্ষা নেওয়া হয়। ফলাফল জানাতে কোনও মেধা তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে উত্তীর্ণ হওয়ার খবর জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল।  পরবর্তীতে তাঁদের মৌখিক পরীক্ষা ও কাউন্সেলিং এর জন্যেও ডাকা হয় এসএমএস করেই। সন্দেহ তৈরি হওয়ায় কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন কিছু পরীক্ষার্থী। তারপরই হাইকোর্টের নির্দেশে মেধা তালিকা বাধ্যতামূলক করা হয়। কিন্তু তারপরে যে মেধাতালিকা প্রকাশ হল অসচ্ছতা রয়ে গেল তাতেও।

এ ব্যাপারে স্কুল সার্ভিস কমিশনের কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি এখনও। চেয়ারম্যান শর্মিলা মৈত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “খুব জরুরি বৈঠকে ব্যস্ত রয়েছি। পরে কথা বলব।”

অন্যদিকে তাঁর এসএসসির শিক্ষক নিয়োগের ‘ওয়েট লিস্টে’  হঠাৎ করে মেয়ের নাম ওঠার প্রসঙ্গে এখনও চুপচাপ রয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী সদ্য তৃণমূলে যোগ দেওয়া পরেশ অধিকারীও। বারবার ফোনে যোগাযোগ করা হলেও ফোন ধরেননি তিনি। উত্তর দেননি এসএসএসেরও।

তিন মাস আগে হইচই হয়েছিল, পরেশের মেয়ে চাকরিটা পেয়েই গেল মেখলিগঞ্জের স্কুলে

You might also like