Latest News

শিলিগুড়িতে তৃণমূলের কোন্দল একাধিক ওয়ার্ডে, টিকিট না পাওয়ায় রাস্তায় বিক্ষোভ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বৃহস্পতিবার রাতে পুরসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাত পোহাতেই সেই প্রার্থী তালিকা নিয়ে বিক্ষোভ শুরু হয়ে গেল শিলিগুড়ির একাধিক ওয়ার্ডে।

২৪ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের এক গোষ্ঠীর বিক্ষোভ রাস্তায় নেমে এল বর্ষশেষের দিনে। এই ওয়ার্ডে গতবারের কাউন্সিলর ছিলেন বিকাশ সরকার। তিনি আবার গৌতম দেবের অনুগামী হিসেবে পরিচিত। এবার এই ওয়ার্ডে তৃণমূল প্রার্থী করেছে বর্ষীয়ান প্রতুল চক্রবর্তীকে।

আর এতেই ক্ষুব্ধ হয়েছেন বিকাশ অনুগামীরা। তাঁদের দাবি, এই তালিকার পিছনে কলকাঠি নেড়েছে পিকের সংস্থা। বিকাশ অনুগামীরা এদিন রাস্তায় প্রার্থী বদলের দাবিতে মিছিলও করেন। কেউ কেউ এও বলেন, দল যদি বিকাশকে টিকিট না দেয় তাহলে আমরা তাঁকে নির্দল হিসেবে দাঁড় করাব।

পাশাপাশি ১৮ নম্বর ওয়ার্ডেও টিকিট নিয়ে একটা চাপানউতর তৈরি হয়েছে। টিকিট পাননি বিদায়ী কাউন্সিলর, বরো চেয়ারম্যান ও তৃণমূলের প্রাক্তন জেলা কোঅর্ডিনেটর নিখিল সাহানি। সেখানেও অসন্তোষ ছড়িয়েছে। এখানে প্রার্থী হয়েছেন সঞ্জয় শর্মা।

২৮ নম্বর ওয়ার্ডেও অসন্তোষের আগুন জ্বলছে শাসকদলের অন্দরে। সেখানে বাম কাউন্সিলর শর্মিলা দাসকে তৃণমূলে যোগদান করানো হলেও প্রার্থী তালিকায় তাঁর নাম নেই। তবে দলের তরফে বলা হয়েছে, যোগ্যরাই প্রার্থী হয়েছেন। দলের শৃঙ্খলা না মানলে বা কেউ নির্দল হিসাবে লড়লে তাঁদের বিরুদ্ধে দল ব্যবস্থা নেবে।

কলকাতাতেও নির্দল কাঁটা বিঁধেছিল তৃণমূলের। সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের বোন তনিমা চট্টোপাধ্যায়, সচ্চিদানন্দ বন্দ্যোপাধ্যায়, রতন মালাকাররা টিকিট না পেয়ে প্রার্থী হয়েছিলেন নির্দলে। পরে রতন মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেও বাকিরা করেননি। তাঁদের দল থেকে বহিষ্কার করেছিল তৃণমূল। তবে সচ্চিদানন্দ বা তনিমা না জিতলেও তিনটি ওয়ার্ডে প্রাক্তন তৃণমূলীরাই নির্দল হয়ে তৃণমূল প্রার্থীদের হারিয়ে দিয়েছেন। শিলিগুড়িতে কী হয় এখন সেটাই দেখার।

You might also like