Latest News

শুভেন্দু বালি চুরি ভিডিও ফাঁস করলেন, সিবিআই তদন্ত নিয়ে তাঁকে পাল্টা প্রশ্ন কংগ্রেসের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কয়েক মাস বন্ধ থাকার পর বাঁকুড়ায় ফের বেআইনি ভাবে বালি তোলা শুরু হয়েছে বলে টুইটে অভিযোগ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই ফুটেজও তুলে ধরলেন ধারাবাহিক টুইটে। কিন্তু এ ব্যাপারে শাসক দল প্রতিক্রিয়া না জানালেও পাল্টা প্রশ্ন তুলল বাম-কংগ্রেস। তাঁদের প্রশ্ন, বালি চুরি যে হচ্ছে, সে না হয় বোঝা গেল, কিন্তু এ সব নিয়ে সিবিআই-ইডি তদন্ত থমকে গেল কেন?

এদিন টুইটে শুভেন্দু লিখেছেন, “কয়েক মাস বন্ধ থাকার পর ফের বাঁকুড়ায় দেদার বেআইনি বালি তোলা শুরু হয়েছে। গোটা অপারেশনে নেতৃত্ব দিচ্ছে পুলিশ। প্রতিটা ঘাটকে পাঁচ লক্ষ টাকায় বরাত দেওয়া হয়েছে। এই টাকার ভাগ পৌঁছে যাচ্ছে কলকাতার শীর্ষ রাজনৈতিক বসদের কাছে।”

বালি তোলা নিয়ে শুভেন্দুর অভিযোগ নতুন নয়। একটা সময় নিয়ম করে এই অভিযোগ তুলতেন তিনি। বলতেন, “তৃণমূলের চুরির কোনও মা-বাবা নেই। এরা নদীনালাকেও ফাঁকা করে দিচ্ছে।” যদিও তৃণমূল এসবকে প্রলাপ বলেই বারবার দেখানোর চেষ্টা করেছে।

শুভেন্দুর এদিনের অভিযোগ নিয়ে বাঁকুড়ার পুলিশ সুপার ধৃতিমান সরকারকে দ্য ওয়াল-এর তরফে ফোন করা হয়েছিল। কিন্তু তাঁকে ফোনে যাওয়া যায়নি। তাঁর প্রতিক্রিয়া পরে পাওয়া গেলে এই প্রতিবেদনে আপডেট করা হবে।

বাংলায় বালি খাদান বিতর্ক অনেক দিন ধরেই চলছে। গত কয়েক বছরে বাঁকুড়া বা পশ্চিম বর্ধমানে যখনই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসনিক বৈঠক করেছেন তখনই জেলা প্রশাসনের উদ্দেশে বেআইনি বালি তোলা নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন। বালি তোলার অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি যাতে জেলা প্রশাসনের হাতে না থাকে এবং তা যাতে নবান্ন থেকে নিয়ন্ত্রিত হয় সেই বন্দোবস্ত করার কথাও বলেছিলেন মমতা। যা নিয়েও বিরোধীদের বক্তব্য ছিল, এবার পুরো টাকাটাই কলকাতায় আনতে চাইছে তৃণমূল। হাত ঘুরে এলে কম হয়ে যাচ্ছে সেই কারণেই এই বন্দোবস্ত।

নদীগর্ভ থেকে বালি তোলা নিয়ে পরিবেশ সংগঠনগুলিরও অভিযোগ বিস্তর। তাদের বক্তব্য, এভাবে বালি তোলার ফলে নদীর গঠন পাল্টে যাচ্ছে। যা ভবিষ্যতের জন্য ভয়াবহ। অন্যদিকে কংগ্রেসের এক মুখপাত্র এদিন বলেন, “বেআইনি কয়লা, বালি পাচার নিয়ে ভোটের আগে খুব সক্রিয় দেখা গিয়েছিল সিবিআই-ইডিকে। এখন আর সে সব কেন দেখা যাচ্ছে না তা নিয়ে কি শুভেন্দু আলোকপাত করতে পারবেন? বরং যেটা দেখা যাচ্ছে, তা হল প্রধানমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রীর কথা হচ্ছে। গৌতম আদানি নবান্নে যাচ্ছেন। এ বার হয়তো দেখা যাবে বালি তোলার প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি অনুমতি পাবে এমনই কেউ!”

You might also like