Latest News

সায়ন্তন বিজেপি গ্রুপ ছেড়ে দিলেন, দিলীপ ঘনিষ্ঠ দুই নেতানেত্রী বাদ নতুন কমিটিতে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিলীপ ঘোষকে সরানোর রেশ ধরেই কি ছেঁটে ফেলা হল সায়ন্তন বসু আর সঙ্ঘমিত্রা চৌধুরীকে?

বুধবার বিজেপির রাজ্য কমিটি ঘোষণা হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে বিদায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু এবং সম্পাদক সঙ্ঘমিত্রা চৌধুরীর নাম নেই তালিকায়। তাঁরা দু’জনেই দিলীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ বলে দলের মধ্যে পরিচিত ছিলেন।

কাকতালীয় হল বিজেপির হোয়াটস গ্রুপে নতুন রাজ্য কমিটির তালিকা আসা মাত্র সায়ন্তন সেই গ্রুপ ছেড়ে ‘লেফট’ করে যান। এদিন সায়ন্তনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল কিন্তু ফোন বেজে গেলেও তিনি ধরেননি। পরে প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেলে এই প্রতিবেদনে আপডেট করা হবে।

সপ্তাহ দেড়েক আগেই সিঙ্গুরে কৃষকদের নিয়ে তিনদিন ব্যাপী কর্মসূচি ছিল বিজেপির। রাজভবনের গেটে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু অধিকারী যেদিন এই কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেছিলেন সেদিন বলেছিলেন, মূল দায়িত্বে থাকবেন সায়ন্তন বসু এবং কিষান মোর্চার সভাপতি মহাদেব সরকার। কিন্তু সেখানে সায়ন্তনকে সেভাবে দেখা যায়নি। বিজেপির অনেকে এও বলছেন, গত লোকসভা ভোটের পর থেকেই সায়ন্তন দলের অভ্যন্তরে কোণঠাসা ছিলেন। একুশের ভোটের পর তা আরও প্রকট হয়।

সঙ্ঘমিত্রা অবশ্য বলেছেন, সবসময় আমিই থাকব এমন কথা নেই। হয়তো দল আমায় অন্য দায়িত্ব দেবে। রাজ্য কমিটি ছাড়াও দলে কাজ করার অনেক জায়গা রয়েছে।

রাজ্য কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে জয়প্রকাশ মজুমদারকেও। তবে তাঁকে মুখপাত্র করা হয়েছে।

তবে সায়ন্তনের গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়াকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকে। প্রসঙ্গত, হাওরা বিজেপির অনেকে বলছেন বহিষ্কৃত সভাপতি সুরজিৎ সাহাকে তৃণমূলে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সায়ন্তনই। সুরজিৎকে নাকি এও বলা হয়েছিল, এই নেতৃত্ব প্রতিহিংসাপরায়ণ। সমালোচনা সহ্য করতে পারে না। ফলে এঁদের নেতৃত্বে সম্মান নিয়ে কাজ করা মুশকিল। অনেকের মতে, সায়ন্তনের তির আসলে শুভেন্দুর দিকে। এখন দেখার সায়ন্তন তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎকে কোন দিকে এগিয়ে নিয়ে যান।

You might also like