Latest News

রানাঘাট-আড়ংঘাটা-বগুলা বারো কিলোমিটার রাস্তা বেহাল, বর্ষার পরে কাজ শুরুর আশ্বাস

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সামান্য বর্ষাতেই বেহাল হয়ে পড়েছে নদিয়ার বহিরগাছি গ্রাম পঞ্চায়েতের রানাঘাট থেকে আড়ংঘাটা হয়ে বগুলা যাবার দীর্ঘ বারো কিলোমিটার রাস্তা। রাস্তা এতটাই বেহাল যে তা হেঁটে পর্যন্ত চলাফেরা করার উপযুক্ত নয় বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। এই রাস্তা দিয়ে গাড়ি চালাতে হলে ভেঙে যাচ্ছে যন্ত্রাংশ। তাতে খরচ বেড়ে যাচ্ছে। আবার আড়ংঘাটা থেকে বগুলা যাওয়ার জন্য বিকল্প পথ দিয়ে ঘুরে যেতে হলে সময় তো বেশি লাগেই তার সঙ্গে জ্বালানি খরচও বেড়ে যায়। এর ফলে ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা। এই রাস্তা যাঁদের ব্যবহার করতে হয় তাঁরাও ক্ষুব্ধ।

রাস্তা বেহাল অনেক দিনই। তার ওপরে বর্ষা নামার ফলে ভোগান্তি অনেক বেশি বেড়েছে। রোজই ঘটছে ছোট-বড় পথ দুর্ঘটনা। আড়ংঘাটা থেকে বগুলা পর্যন্ত বারো কিলোমিটার রাস্তার মধ্যে দশ কিলোমিটার একেবারে বেহাল। রাস্তার চেহারা ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। খানাখন্দে ভরে গেছে রাস্তার অধিকাংশ জায়গা। আড়ংঘাটা, বহিরগাছি এবং বগুলা ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন জেলা পরিষদের এই রাস্তাটি দীর্ঘদিন বেহাল থাকায় রীতিমতো সমস্যায় পড়েছেন ওই সব এলাকার সাধারণ মানুষ। ওই এলাকার অন্তত চল্লিশটি গ্রামের মানুষকে প্রায় প্রত্যেক দিনই এই রাস্তা ব্যবহার করতে হয়।

রানাঘাট থেকে বগুলা যাওয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তা বেহাল হওয়ার দরুণ রীতিমতো সমস্যায় পড়েছেন তাঁরা। স্থানীয় বাসিন্দা বাপ্পা বিশ্বাস বলেন, “নিয়মিত ভাবে আমাদের ভায়না থেকে রানাঘাটে ব্যবসার কাজে যেতে হয়। রাস্তা এতটাই খারাপ যে অধিকাংশ দিন সময় মতো পৌঁছতে না পারার জন্য আমাকে ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে।”

অটোচালক সুশান্ত বিশ্বাস বলেন, রাস্তা খারাপ হওয়ার ফলে এখানে যাত্রী সংখ্যা দিনকে দিন কমেই চলেছে। এখন যাত্রীসংখ্যা তলানিতে পৌঁছেছে।” নির্মলা বালা নামে এক নিত্যযাত্রী বলেন, “জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমাদের এই রাস্তা দিয়েই চলাফেরা করতে হয়। সরকার অবিলম্বে রাস্তা সংস্কারের দিকে নজর দিক। তা না হলে এই রাস্তায় যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা হয়ে যাবে। রাস্তা সংস্কারের ব্যাপারে বাহিরগাছি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রাজেশ ভৌমিক বলেন, “রাস্তাটি সংস্কারের সমস্ত প্রক্রিয়াই জেলা পরিষদের তরফ থেকে শুরু হয়ে গিয়েছিল। লকডাউনের ফলে সেই কাজ থমকে গেছে। একই সঙ্গে বর্ষা এসে যাওয়ার ফলে সংস্কারের কাজ থেমে রয়েছে। তবে বর্ষা কমলেই রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হবে।”

You might also like