Latest News

পাশে রাজ্য, হিংসা মোকাবিলায় ব্যর্থতার দায়ে পুলিশ কর্তাকে শো-কজের আদেশ পুনর্বিবেচনার আর্জি

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা নিয়ে গত ২ জুলাই রাজ্য সরকারকে তীব্র ভর্ৎসনা করেছিল ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দালের নেতৃত্বাধীন বৃহত্তর বেঞ্চ। সেইসঙ্গে বেশ কিছু নির্দেশও দিয়েছিল আদালত। যাদবপুরে ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা সরজমিনে প্রত্যক্ষ করতে গিয়ে হামলার মুখে পড়তে হয়েছিল জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশনের সদস্য তথা ভোট পরবর্তী হিংসা খতিয়ে দেখার কমিটির অন্যতম সদস্যকে। এই ঘটনায় ডিসিপি রশিদ মুনির খানকে শো-কজ করেছে বৃহত্তর বেঞ্চ। এই নির্দেশ পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল রাজ্য সরকার।
ওয়াকিবহাল মহলের মতে, রশিদ মুনিরের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিরোধিতা করে নবান্ন দুটি বার্তা দিতে চাইল। প্রথমত সরকার মনে করে ভোট পরবর্তী অভিযোগগুলির বেশির ভাগই অতিরঞ্জিত। দ্বিতীয়ত, অফিসারের পাশে থেকে সরকার অভিযোগের সত্যতা নিয়ে আরও জোরালো অভিযোগ তুলল।

গত শুনানিতে আদালত রাজ্যের উদ্দেশে বলে, কমিশন তার রিপোর্টে যা বলেছে সেইসব অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর করতে হবে। সমস্ত ঘটনার যত দ্রুত সম্ভব তদন্ত শুরু করতে হবে । ভোট পরবর্তী হিংসায় আহতদের চিকিৎসার ব্যাবস্থা করতেও রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত।
রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেলের উদ্দেশে আদালতের প্রশ্ন ছিল, যাদবপুরে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিদের বাধার মুখে পড়তে হলো কেন ? জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারকে কেন শোকজ করা হবে না, তা জানাতে হবে রাজ্য সরকারকে।

আদালত আরও বলে, আরও কয়েকটি জেলার এসপি ও পুলিশ কমিশনারদের শো-কজ করা হবে। জানতে চাওয়া হয়, কেন অভিযোগ জমা না নিয়ে আক্রান্তদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল?

প্রসঙ্গত বিজেপি প্রথম থেকেই বলছিল, একদিকে তৃণমূল সন্ত্রাস চালাচ্ছে, অন্যদিকে পুলিশ তাতে প্রত্যক্ষ মদত করছে। কোথাও কোথাও পুলিশই শাসকদলের ক্যাডার হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের।

অনেকের মতে, ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় চাপ বেড়েছে রাজ্যের। পুলিশ কর্তাকে শো-কজ রাজ্যের কাছে ধাক্কা বলেই মত অনেকের। আগামী ১৩ জুলাই এই মামলার ফের শুনানির দিন ধার্য হয়েছে। তার আগে রশিদ মুনিরকে শো-কজের নির্দেশের পুনর্বিবেচনার আর্জি জানাল রাজ্য সরকার।

 

You might also like