Latest News

গোলাপি নোটের ভবিষ্যৎ কী? এক বছরে একটিও ছাপেনি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক

দ্য ওয়াল ব্যুরো: জন্ম থেকেই গোলাপি নোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়। বড় অঙ্কের নোট কি আদৌ রাখা হবে তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ওঠে। তবে বারবারই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক ও রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (আরবিআই) জানিয়েছে, ২০০০ টাকার নোট বাতিল করার কোনও পরিকল্পনাই নেই। তবে এবার জানা গেল চলতি বছরে একটিও ২০০০ টাকার নোট ছাপা হয়নি।

আরও পড়ুন

করোনার কোপে কেন পুরুষরাই বেশি, নেশা না অন্যকিছু, বিজ্ঞানীরা জানালেন সম্ভাব্য কারণ

আরবিআই যে বার্ষিক রিপোর্ট প্রকাশ করেছে তাতে জানানো হয়েছে, ২০১৯-২০ ‌আর্থিক বছরে একটিও ২০০০ টাকার নোট ছাপা হয়নি। রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০১৮ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত বাজারে গোলাপি নোটের সংখ্যা ছিল ৩৩,৬৩২ লাখ। ২০১৯-এর মার্চে সেই সংখ্যাটা কমে হয় ৩২,৯১০ লাখ। আর চলতি বছরের মার্চে সেটা আরও কমে হয় ২৭,৩৯৮ লাখ।

দেশে টাকা ছাপার দায়িত্বে দুই সংস্থা। ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক নোট মুদ্রণ প্রাইভেট লিমিটেড (বিআরবিএনএমপিএল) এবং সিকিউরিটি প্রিন্টিং অ্যান্ড মিন্টিং কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড (এসপিএমসিআইএল)। আরবিআই-এর অধীনস্থ প্রথম সংস্থাটি টাকা ছাপার মূল দায়িত্বে। অন্যদিকে, এসপিএমসিআইএল তৈরি করে ওয়াটারমার্ক যুক্ত টাকা তৈরির কাগজ। চলতি অর্থবর্ষে সেখানে কোনও ২০০০ টাকার নোট মুদ্রিত হয়নি বলেই জানানো হয়েছে।

আরবিআই-এর দেওয়া তথ্য বলছে, ভারতে এখন মোট মুদ্রার মাত্র ২.৪ শতাংশ ২০০০ টাকার নোট। যা গত কয়েক বছরের তুলনায় অনেকটাই কমেছে। ২০১৮-১৯ আর্থিক বছরে যেটা ছিল ৩ শতাংশ আর তার আগের বছরে ২০১৭-১৮ সালে ৩.৩ শতাংশ। মুল্য হিসেবেও মোট মুদ্রায় ২০০০ টাকার পরিমাণ কমেছে। চলতি বছরে সেটা ২২.৬ শতাংশ। ২০১৮-১৯ আর্থিক বছরে যেটা ছিল ৩১.২ শতাংশ আর তার আগের বছরে অর্থাৎ ২০১৭-১৮ সালে ৩৭.৩ শতাংশ।

২০১৬ সালের ৮ নভেম্বরে নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছিল নরেন্দ্র মোদী সরকার। পুরনো ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট বাতিল করা হয় সেই সময়ে। তখনই নতুন ৫০০ টাকা এবং ২০০০ টাকার নোট ছাপানো হয়। বাজারে আসে গোলাপি নোট। শুরুতে প্রায় ৩৭০ কোটি টাকা মুল্যের নোট ছাপানো হয় বলে জানা যায়। কিন্তু সম্প্রতি দেখা যায় বাজারে ক্রমেই কমছে ২০০০ টাকার নোটের সংখ্যা। আরবিআইয়ের তরফে জানানো হয়েছে, এখন বেশি করে ৫০০ টাকার নোট ছাপানো হচ্ছে। তবে করোনা আবহে দেশে ডিজিটাল লেনদেন বেড়ে যাওয়ায় নোটের চাহিদাও অনেকটাই কমেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

You might also like