Latest News

তথ্য লুকিয়ে গ্রেফতার টাকাগাছের শাসক নেতা মহিরুদ্দিন, বোমা বাঁধতে গিয়ে হাসপাতালে ক্ষুদিরামের দুই অনুগামী

দ্য ওয়াল ব্যুরো, কোচবিহার: ভোটের মনোনয়ন পত্র দাখিলের সময় ফর্মে লিখেছিলেন তার নামে নাকি কোনও ফৌজদারি মামলা নেই। তারপর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ড্যাং ড্যাং করে জিতে গিয়েছিলেন কোচবিহারের টাকাগাছ-রাজারহাট গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি মীর মহিরুদ্দিন। কিন্তু সময় এগোতেই সত্যি সামনে চলে আসে। মামলা তো শুধু নয় একেবারে দলীয় কর্মী খুনের মামলায় হিট লিস্টে তার নাম। দলের কর্মীদের একটা অংশই দাবি তোলে গ্রেফতারের। অবশেষে গ্রেফতার হলেন মীর মহিরুদ্দিন।

শুক্রবার ছিল টাকাগাছ অঞ্চলের বোর্ড গঠন। সেখানে  উপপ্রধান নির্বাচিত হন মহিরুদ্দিন। এত দিন পুলিশের চোখে সে ছিল ফেরার। আজ প্রধান নির্বাচনের সময় মহিরুদ্দিন পঞ্চায়েত দফতরে আসেন। নির্বাচনের পর পঞ্চায়েত দফতর থেকে বেড় হবার সময় পুলিশ তাকে গ্রেফতার  করে।

মহিরুদ্দিন কে নিয়ে যাবার সময় তৃণমূলের লোকেরা বাধা দিলে কোতোয়ালি থানার আইসি-র নেতৃত্বে বিরাট পুলিশ বাহিনী এলাকায় যায়। এরপর পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসে।

মনোনয়ন, ভোট থেকে মাদার-যুব দ্বন্দ্ব, সব দিক থেকেই কোচবিহার এ বার ঘটনাবহুল। গত কয়েক মাসে একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। চার আনা বিরোধীদের সঙ্গে হলে বাকি বারো আনাই শাসক বনাম শাসক। এ বার চান্দামারিতে বোমা বাঁধতে গিয়ে আহত হলেন দুই তৃণমূল কর্মী। তাদের চিকিৎসা চলছে কোচবিহারের এমজেএন হাসপাতালে। ঘটনা স্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বোমা তৈরির সরঞ্জাম। আহত দুই তৃণমূলকর্মী কার্তিক বর্মন ও ভবেন বর্মনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, শনিবার চান্দামারিতে পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন। মনে করা হচ্ছে সেই কারণেই ওই বোমা বাঁধার কাজ চলছিল। শাসক দলের একটি অংশের দাবি, ওই দুই তৃণমূল কর্মীই স্থানীয় নেতা ক্ষুদিরাম সরকারের অনুগামী।

You might also like