Latest News

হাড়োয়ার কেষ্টপুর খালে ভেঙে পড়ল কাঠের সেতু, অতি বর্ষণে ভাঙল দোকানঘরও

দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর ২৪ পরগনা: টানা বৃষ্টির ফলে এবার বিপর্যয়ের মুখে পড়লেন বসিরহাট মহকুমার হাড়োয়া ব্লকের কামারগাতি এলাকার বাসিন্দারা। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর একটা নাগাদ কেষ্টপুর খালের উপর হাড়োয়া ও মিনাখাঁর যোগাযোগকারী আড়াইশো ফুট লম্বা সেতুর প্রায় ৩০ ফুট ভেঙে পড়ে। ভেসে যায় দুটি দোকান। আশপাশের কয়েকটি দোকানেরও যথেষ্ট ক্ষতি হয়েছে।

২৫০ ফুট লম্বা ও ১২ ফুট চওড়া কাঠের সেতুর একাংশ খালে ভেঙে পড়ায় হাড়োয়া ও মিনাখাঁর বড় অংশের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল। এলাকা সূত্রে জানা গেছে সেতু ছাড়াও পাশাপাশি থাকা দুটি কাঠের দোকান এবং পুরনো একটি গাছও ভেঙে পড়েছে খালে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যান হাড়োয়ার বিডিও অফিসের লোকজন এবং সেচ দফতরের আধিকারিকরা। এলাকার জনপ্রতিনিধিরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান।

যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় দুই গ্রামের লোকজন সমস্যায় পড়েছেন ঠিকই তবে তাঁরা শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন দোকানঘর ও সেতুর একাংশ খালে পড়ে যাওয়ায়। আরও বড় বিপদ হতে পারত বলে তাঁরা জানিয়েছেন। তাঁরা চাইছেন সেতু ভাল ভাবে সারানো হোক। দরকারে কংক্রিটের করে দেওয়া হোক।

প্রশাসনের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক ভাবে একটা রিপোর্ট তৈরি করছেন। পাশাপাশি খুব তাড়াতাড়িই এই সেতুর কাজ শুরু হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

হাড়োয়া থানার কুলটি অঞ্চলের ঘোষপুর, কামারগাতি, ঘুসিঘাটা সহ বিস্তীর্ণ এলাকার জল গিয়ে পড়ছে কেষ্টপুর খালে। এই খালের পাশে রয়েছে অসংখ্য দোকানঘর। সেই সব দোকান চালিয়ে এলাকার বহু মানুষ জীবিকা নির্বাহ করেন। অতিরিক্ত বৃষ্টিতে দুটি দোকান জলে তলিয়ে তো গেছেই পাশাপাশি বেশ কয়েকটি দোকানের ক্ষতিও হয়েছে। ফলে এলাকার সব দোকানিই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। স্বভাবতই এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ঘোষপুর এলাকা জুড়ে। বৃষ্টি তো স্থায়ী হবে না কিন্তু তারপরে তাঁরা কী ভাবে রোজগার করবেন এখন সেকথা ভেবেই উঠতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান সরকার যদি তাঁদের পাশে দাঁড়ায় তা হলেই তাঁদের সংসার চলবে। না হলে বড় বিপদে পড়বেন তাঁরা।

খালের একেবারে গা ঘেঁষে যে সব দোকান রয়েছে সেগুলি বসানো বেআইনি কিনা তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। প্রশ্ন উঠছে সেচ দফতরের নজর এড়িয়ে কী ভাবে এতগুলো দোকান গড়ে উঠল বাসন্তী হাইওয়ে লাগোয়া ঘুসিঘাটা-সহ বিস্তীর্ণ এলাকায়।

You might also like