Latest News

বসিরহাটের কোদালিয়ায় কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের বাইরে ঘুরছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা, পাহারার ব্যবস্থা গ্রামবাসীদের

মূলত রাতের দিকে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার থেকে বেরিয়ে বাজার-দোকান সর্বত্র ঘুরছেন রাজ্যে ফেরা পরিযায়ী শ্রমিকরা।

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আটকাতে ভিন রাজ্য থেকে ফেরা শ্রমিকদের কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানে যাঁদের ‘বন্দি’ থাকার কথা বাস্তবে দেখা যাচ্ছে তাঁরা ঘুরে বেড়াচ্ছেন যেখানে সেখানে। উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট এক নম্বর ব্লকের নিমদারিয়া কোদালিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন স্কুলে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার করা হয়েছে। মূলত রাতের দিকে সেখান থেকে বেরিয়ে বাজার-দোকান সর্বত্র ঘুরছেন রাজ্যে ফেরা শ্রমিকরা।

কখনও বাজারে আবার কখনও বাড়ির দিকে তাঁদের যেতে দেখে চক্ষু চড়কগাছ গ্রামবাসীদের। তাঁরা নিজেরা উদ্যোগী হয়ে দিন ও রাতে পাহারার ব্যবস্থা করেছেন যাতে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার থেকে বেরিয়ে যেখানে সেখানে তাঁরা না যেতে পারেন। কারণ তাঁরা কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের বাইরে বের হওয়া মানেই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা। রাতের বেলায় পাহারায় থাকছেন জনা তিনেক লোক। দেখছেন যাতে কেউ যেন স্কুলের বাইরে বেরতে না পারেন। যাতে কেউ নিজের বাড়িতে বা গ্রামে না যেতে পারেন।

প্রথম দিকে এঁদের খাওয়া-দাওয়ার একটু সমস্যা হচ্ছিল। পরে নিমদারিয়া কোদালিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রসাশন, কয়েক জন সদস্য ও গ্রামের মানুষ দায়িত্ব নিয়ে তাঁদের প্রতিদিনের খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করেন যাতে তাঁদের কোনও রকম অসুবিধা না হয়। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে নানা অজুহাতে তাঁরা কোয়ারেন্টাইন সেন্টার থেকে বেরিয়ে পড়ছেন। তাই মূলত সন্ধ্যা সাতটা থেকে সকাল সাতটা পর্যন্ত গ্রামের মানুষ রাত পাহারা দিচ্ছেন।

রাজ্যের বিভিন্ন গ্রামে এমন দৃশ্যও দেখা গেছে যেকানে সংক্রামণ ঠেকাতে ১৪ দিন তাঁবুতে কাটাচ্ছেন ভিন রাজ্য থেকে ফেরা মানুষ। অনেকে বাড়ির লোক ও গ্রামের লোকের কথা ভেবে শৌচালয়ে দিন কাটাচ্ছেন এমনও দেখা গেছে। সেক্ষেত্রে এমন অসচেতনতা কমই দেখা যাচ্ছে পরিযায়ী শ্রমিকদের মধ্যে।

You might also like