Latest News

করোনায় গঙ্গাস্নানে নিষেধাজ্ঞা, চৈত্রের ভিড় এড়াতে শেওড়াফুলি-বৈদ্যবাটির ঘাটগুলিতে পাহারা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: তারকেশ্বর মন্দির বন্ধের সিদ্ধান্ত ঘোষণা হয়েছে গতকালই। এবার যেখান থেকে গঙ্গাস্নান করে সাধারণ মানুষ তারকেশ্বরের উদ্দেশে পায়ে হেঁটে যাত্রা করেন, হুগলির সেই শেওড়াফুলি-বৈদ্যবাটির ঘাটগুলিতে হোর্ডিং ঝুলিয়ে দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হল, করোনার কারণে পূন্যার্থীরা গঙ্গাস্নানও করতে পারবেন না।

স্থানীয় প্রশাসনের তরফে ঘাট কমিটিগুলিকে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকার কথা বলা হয়েছে। চৈত্রমাসে গাজনের জন্য তারকেশ্বরযাত্রীদের ভিড় লেগেই থাকে। স্থানীয় প্রশাসনের আশঙ্কা অনেকেই মন্দির বন্ধের খবর না জেনে চলে আসছেন। আসার পরে গঙ্গাস্নান সেরে ফিরে যেতে চাইছেন। আর এতেই লাগাম টানতে চাইছে প্রশাসন।

করোনা সংক্রান্ত সতর্কতার জন্য আগেই বেলুড় মঠ কর্তৃপক্ষ মন্দিরে দর্শনার্থী নিয়ন্ত্রণ করেছে। সেইমতো কামারপুকুর ও জয়রামবাটিতেও পুণ্যার্থীদের নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। সন্ধ্যারতির সময় সমবেত হওয়া বন্ধ করা হয়েছে।

রাজ্যের আরও বেশ কয়েকটি মন্দিরেও পুণ্যার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নবদ্বীপ ও মায়াপুর। ভোগ বিতরণ বন্ধ করা হয়েছে বিভিন্ন মন্দিরে। যেসব ধর্মস্থানে এখনও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়নি সেখানেও জমায়েত এড়াতে খুব কম লোকই যাচ্ছেন।

জমায়েত এড়াতে তারকেশ্বরের গাজনই শুধু নয় বন্ধ করা হয়েছে অগ্রদ্বীপের মেলা এবং নবদ্বীপের দশম দোল পরিক্রমা। করোনা নিয়ে এখন সতর্ক সারা রাজ্য। প্রশাসনের নির্দেশ—আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থেকেই মারণ ভাইরাসকে প্রতিহত করতে হবে। সেই মোতাবেক গঙ্গাস্নানেও নিষেধাজ্ঞা জারি হল এবার।

ইতিমধ্যেই দেশের বেশিরভাগ রাজ্যেই ৩১ মার্চ পর্যন্ত স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়িয়ে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়েছে, বন্ধ করা হয়েছে সুইমিং পুল, স্টেডিয়াম, সিনেমা হলও। বন্ধ করা হয়েছে আধার কার্ড কেন্দ্রও।

You might also like