
রাজ্য সরকারের জারি করা এই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এবার থেকে এক এলাকার পাঁচজনের নমুনা মিশিয়ে একটা নমুনা তৈরি করে তা পরীক্ষা করে দেখা হবে। এর ফলে অনেক তাড়াতাড়ি পরীক্ষার ফল জানা সম্ভব হবে। ফলে সময় ও খরচ দুইই বাঁচবে।
কী এই পুল টেস্টিং?
এই পদ্ধতিতে এক এলাকার পাঁচজনের লালারসের নমুনা থেকে আরএনএ নিয়ে রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন পলিমারাইজ চেইন বিক্রিয়া পদ্ধতিতে ডিএনএ তৈরি করা হয়। তারপর সেই ডিএনএ পরীক্ষা করে দেখা হয়। যদি পরীক্ষার ফল নেগেটিভ হয়, তাহলে পাঁচজনেরই শরীরে করোনাভাইরাস নেই বলে নিশ্চিত হওয়া যায়। আর যদি পরীক্ষার ফল পজিটিভ হয়, তখন বোঝা যায়, ওই পাঁচজনের মধ্যে এক বা একাধিক ব্যক্তির শরীরে ভাইরাস রয়েছে। তখন প্রত্যেকের আলাদা আলাদা করে পরীক্ষা করে দেখা হয়। পুল টেস্টিং পদ্ধতিতে কম টেস্ট কিট দিয়ে অনেক বেশি পরীক্ষা করা সম্ভব হয়।
আইসিএমআর-এর তরফে অবশ্য জানানো হয়েছে, সে এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা ২-৫ শতাংশের মধ্যে রয়েছে, সেখানেই এই পরীক্ষা করা উচিত। সেইসঙ্গে যে ব্যক্তির মধ্যে কোভিড ১৯ লক্ষণ নেই, অথবা যাঁরা স্বাস্থ্য পরিষেবার কাজে যুক্ত তাঁদের এই পদ্ধতিতে পরীক্ষা করা উচিত। কোভিড ১৯ উপসর্গ দেখা দিলে কখনও এই পদ্ধতিতে পরীক্ষা করা উচিত নয় বলেই জানিয়েছে আইসিএমআর।