Latest News

ভবানীপুরের কোথাও কোথাও কোভিড জিরো, হারার ভয়ে উপনির্বাচন করছে না বিজেপি: মমতা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, বাংলার কোভিড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। নির্বাচন কমিশন সাত দিনের নোটিসে উপনির্বাচন করাতে পারে। তারপর ভোট নিয়ে নয়াদিল্লির নির্বাচন সদন কোনও গা করেনি। এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও একবার জানালেন, বাংলায় কোভিড সংক্রমণের হার একেবারেই কম। পরিস্থিতি অনেক ভাল। সেইসঙ্গে ভোট না করা নিয়ে বিজেপির দিকেই নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমি তো কাল ভবানীপুরের তথ্য দেখছিলাম। কোথাও তো দেখলাম একদম শূন্য। জিরো জিরো জিরো।”

এদিন মমতা বলেন, “রাজ্যসভার দুটো আসনের নির্বাচন নিয়ে আমাদের মতামত নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। আমাদের পক্ষে মুখ্যসচিব জানিয়েছিলেন, আমরা তৈরি আছি। সেই সঙ্গে বাকি থাকা বিধানসভা নির্বাচন করার বিষয়েও প্রস্তুত আছি।”

মমতা আরও বলেন, “সংবিধান অনুযায়ী ছ’মাসের মধ্যে উপনির্বাচন করতে হবে। আমরা তো সেটাই চাইছি। আমরা তো অন্যায় কিছু চাইছি না। কারা বিরোধিতা করছে, কারা ভয় পাচ্ছে? বিজেপি। কারণ ওরা বার বার ইলেকশনে হেরে যায়।”

অনেকের মতে মুখ্যমন্ত্রী বোঝাতে চেয়েছেন, বিজেপির অঙ্গুলি হেলনেই উপনির্বাচন হচ্ছে না। এমনিতে এই বিপুল ব্যবধানে তৃণমূল সরকারের প্রত্যাবর্তনের পর উপনির্বাচনে তেমন কোনও গুরুত্ব নেই। তবে এক দিক থেকে গুরুত্ব অপরিসীম। তা হল, মমতাকেও ভোটে দাঁড়িয়ে জিততে হবে। কারণ নন্দীগ্রামে হেরে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। যদিও গণনা নিয়ে মামলা চলছে হাইকোর্টে।

তৃণমূলের অনেকের বক্তব্য, বিজেপি যে ভাবে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে দখল করছে তাতে নির্বাচন কমিশনকে দিয়ে তাঁরা মমতার জিতে আসা আটকাতে চাইছে। এর আগেও মমতা একবার বলেছিলেন, নির্বাচন কমিশন চলছে অমিত শাহের দফতরের নির্দেশে। তাঁদের বক্তব্য, বিজেপি আসলে চাইছে জটিলতা তৈরি করতে। ইতিমধ্যেই তৃণমূল স্পষ্ট করেছে, ভবানীপুরে প্রার্থী হবেন মমতা। তাই শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় সেখান থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। তাঁকে দাঁড় করানো হবে খড়দহে। হতে পারে সেকারণেই আজ মমতা ভবানীপুরের কোভিড তথ্য উল্লেখ করেছেন।

মমতা যখন এদিন নবান্নে একথা বলছেন প্রায় সেই সময়েই দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে উপনির্বাচনে দাবি জানাতে গিয়েছে তৃণমূলের প্রতিনিধিদল। যদিও বিজেপির বক্তব্য, গতকালই নবান্ন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলেছে, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক জমায়েত করা যাবে না। ভোট হলে তো প্রচারের ব্যাপার আছে। আগে রাজ্য সরকার স উনব স্বাভাবিক করার নির্দেশিকা দিক, বিজেপি একটু রাস্তায় নামুক, তারপর তো ভোট।

You might also like