Latest News

গেরুয়া পথে শ্রাবন্তী, টলি পাড়ায় কি এ বার কথার পিঠে কথা হবে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: যশ দাশগুপ্তর পর এ বার বাংলায় গেরুয়া পথগামী হচ্ছেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। সোমবার আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দিলেন তিনি। দিলীপ ঘোষ, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, অমিত মালব্যদের থেকে বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নিলেন তিনি।

বাংলা চলচ্চিত্রে এখনও কদর রয়েছে শ্রাবন্তীর। হাতে কাজও রয়েছে। কেরিয়ারে উজ্জ্বল থাকতে থাকতেই রাজনীতিতে এ বার ঢুকে পড়লেন বাংলা ছবির নতুন প্রজন্মের এই অভিনেত্রী। বিজেপিতে সামিল হয়েই বললেন, ‘সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে কাজ করব।’

বাংলায় বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে চলচ্চিত্র ও থিয়েটার জগতের যোগ বহুদিনের। ডানপন্থী রাজনীতির সঙ্গে সেই যোগসূত্র রচনার চেষ্টা অতীতে বার বার হয়েছে। মৌসুমী চট্টোপাধ্যায় থেকে শুরু থেকে নাফিসা আলিকে বাংলায় কংগ্রেসের প্রার্থী করেছিলেন প্রণব মুখোপাধ্যায়রা। কিন্তু সেই প্রয়াস কাজে দেয়নি। তা দীর্ঘস্থায়ীও হয়নি। সেদিক থেকে বলতে গেলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই সফল। তাপস পাল, শতাব্দী রায় থেকে শুরু করে দেব, মিমি চক্রবর্তী, নুসরত জাহান রুহিদের তিনি শুধু তৃণমূলে সামিল করেননি, জিতিয়েও এনেছেন। তাঁরা সংসদে নিয়মিত উপস্থিত থাকুন বা নাই থাকুন, বছরে ৩৬৫ দিন নিয়ম করে নিজের নির্বাচন কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন বা নাই রাখুন, অনেকের মতে তাঁদের ইনফ্লুয়েন্সার হিসাবে ব্যবহার করতেও সফল হয়েছে তৃণমূল।

সে দিক থেকে বরং কিছুটা পিছিয়েই ছিল বিজেপি। কিন্তু বাংলায় ভোটমুখে দ্রুত পায়ে সেই দূরত্ব মোছার চেষ্টায় নেমে পড়েছে গেরুয়া শিবির। দিন কয়েক আগে যশ দাশগুপ্ত, হীরণ চট্টোপাধ্যায়, পায়েল সরকার সহ টলিপাড়ার বেশ কিছু অভিনেতা অভিনেত্রী বিজেপিতে সামিল হয়েছেন। বিজেপিতে সামিল না হলেও তাঁদের সঙ্গে একই ফ্রেমে দেখা যাচ্ছে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, অরিন্দম শীলদের। এ বার শ্রাবন্তীও হাঁটলেন সেই পথে।

পর্যবেক্ষকদের মতে, ধরে নেওয়া যেতে পারে এ বার কথার পিঠে কথা হবে। মিমি, নুসরতরা টুইটার হ্যান্ডেল থেকে বিজেপি বিরোধী সমালোচনা করলে তার পাল্টা জবাব আসবে হয়তো যশ, শ্রাবন্তীদের হ্যান্ডেল থেকে। অর্থাৎ ইনফ্লুয়েন্সার বনাম ইনফ্লুয়েন্সার। কার প্রভাব কত বেশি সেই লড়াই শুরু হয়ে যেতে পারে টলি পাড়াতেও।

You might also like