Latest News

পাঁচ জনের বেশি আক্রান্ত হলেই সেই এলাকা মাইক্রো কনটেনমেন্ট জ়োন, নির্দেশ নবান্নর

দ্য ওয়াল ব্যুরো:  বাংলায় ঊর্ধ্বমুখী করোনা সংক্রমণ। হানা দিয়েছে ওমিক্রন। বিদেশ ভ্রমণের পূর্ব ইতিহাস না থাকা সত্ত্বেও ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ মিলছে এ রাজ্যে। সংক্রমণ বেড়ে চলেছে কলকাতায়। এমন পরিস্থিতিতে ফের কড়া কোভিডবিধি চালু হয়েছে রাজ্যে। সংক্রমণ ঠেকাতে ফের কনটেনমেন্ট, মাইক্রোকনটেনমেন্ট জ়োন চালু করার কথা আগেই বলা হয়েছিল। সোমবার জেলাশাসকদের নির্দেশ দিয়ে মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী বলেছেন, সংক্রমণ যাতে না বাড়ে সে জন্য এলাকাভিত্তিক মাইক্রো কনটেনমেন্ট জ়োন চালু করতে হবে।

বছর শুরুতে জানুয়ারি মাসজুড়েই জেলায় জেলায় মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেসবে ভিড় নিয়ন্ত্রণে কড়া নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন। মুখ্যসচিবের নির্দেশ, যে কোনও মেলা, বই মেলাতে কোভিড বিধি মেনে চলতে হবে। মাস্ক ছাড়া প্রবেশ নিষিদ্ধ। মানতে হবে পারস্পরিক দূরত্ব। অতিরিক্ত ভিড় বা জমায়েত হলেই ব্যবস্থা নেবে পুলিশ। মেলাগুলিতে নিয়মিত স্যানিটাইজেশনের ব্যবস্থা করতে হবে।

গত বছর দুর্গাপুজোর পর থেকেই কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বাড়ছে দৈনিক কোভিড সংক্রমণ। তা রুখতে সক্রিয় হয়েছেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা। যে সকল এলাকায় সংক্রমণ বাড়ছে, সেখানে গণ্ডিবন্ধ এলাকা তৈরি করে পরিস্থিতির মোকাবিলা করা হচ্ছে। জন সাধারণকে সতর্ক করার পাশাপাশি কোভিড বিধি অমান্যকারীদের গ্রেফতার করে কড়া বার্তা দিচ্ছে জেলা প্রশাসন। ওমিক্রন হানা দেওয়ার পরে গত কয়েকদিনে রাজ্যে কোভিড সংক্রমণের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। তাই ফের কনটেনমেন্ট জ়োনের সংখ্যা বাড়ানোর দিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

মুখ্যসচিব সমস্ত জেলার জেলাশাসকদের নির্দেশ দিযেছেন, সংক্রমণ পরিস্থিতি দেখে জেলায় জেলায় গণ্ডিবদ্ধ এলাকা বা কনটেনমেন্ট জ়োন চালু করতে হবে। কোনও এলাকায় বা কনটেনমেন্ট জ়োনে চার থেকে পাঁচ জন আক্রান্তের হদিশ মিললেই সেই এলাকাকে মাইক্রো কনটেনমেন্ট জ়োন হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। এইসব এলাকায় কোভিড টেস্ট, কনট্যাক্ট ট্রেসিং বাড়াতে হবে। মাস্ক বিধি আরও কড়া করতে হবে।

কিছুদিন আগেই মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেছিলেন, যেখানে এক সঙ্গে পাঁচ থেকে ছয় জন করোনা আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া যাবে, সেই এলাকা কনটেনমেন্ট জ়োন ঘোষণা করা হবে। বৃহস্পতিবারই কলকাতা পুরনিগমে বৈঠকে বসেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম, ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ-সহ পুরসভার স্বাস্থ্য কর্তারা। এই বৈঠকেই আলোচনা হয়, সংক্রমণ যেভাবে বাড়ছে তাতে আর ঝুঁকি নিতে চাইছে না পুরপ্রশাসন। তাই প্রাথমিক ভাবে শহরের ১৭টি জায়গাকে মাইক্রো কনটেনমেন্ট জ়োন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই সব এলাকায় পাঁচ জনের বেশি আক্রান্ত হয়েছেন বলে পুরপ্রশাসনের কাছে খবর রয়েছে।

পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকাসুখপাঠ

You might also like