Latest News

ফুঁসছে তিস্তা-তোর্সা, জলভাসি কালিম্পং, আটকে পড়েছেন কয়েক হাজার পর্যটক

দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলায় আজও বৃষ্টির দাপট থাকবে বলেই পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দার্জিলিং (Darjeeling), জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে সতর্কতা জারি হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে (Rain) বিপর্যস্ত দার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়াং। তিস্তার জলস্তর বিপদ সীমার উপর দিয়ে বইছে। জলপাইগুড়ির দোমহনিতে নদীর জল তিস্তা সেতু ছুঁতে চলেছে। ত্রিবেণী এলাকায় এখনও রিস্তার ওপর দিয়ে বইছে তিস্তার জল। একাধিক জাতীয় সড়ক বন্ধ হয়ে গেছে, বিদ্যুৎ বিভ্রাট নানা এলাকায়। আটকে পড়েছেন কয়েক হাজার পর্যটক।

সোমবার থেকেই নাগাড়ে বৃষ্টি চলছে উত্তরবঙ্গে। দার্জিলিঙে গত দুদিনে ৪০০ মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টি হয়েছে। এই প্রবল বৃষ্টির কারণেই মাটি আলগা হয়ে ধস নেমেছে পাহাড়ি এলাকায়। দার্জিলিং থেকে শিলিগুড়ি যাওয়ার ৫৫ নম্বর জাতীয় সড়ক ধস নেমে বন্ধ হয়ে গেছে। কালিম্পং এবং গ্যাংটকগামী ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের বিস্তৃত এলাকা তিস্তার জলে ভেসে গেছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়াঙের বেশিরভাগ এলাকা জলমগ্ন। ঘরবন্দি মানুষজন। জলপাইগুড়ি পুর-এলাকা ছাড়াও জলমগ্ন ক্রান্তি, মৌয়ামারি, চাঁপাডাঙা, নন্দনপুর, বোয়ালমারি ও পাতকাটা এলাকা। এই সমস্ত এলাকার বাসিন্দাদেরও নিরাপদ আশ্রয়ে সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। নদীবাঁধ ভেঙে যাওয়ায় ময়নাগুড়ির দোমহনি ১-এর‌ বাসুসুবা গ্রাম প্লাবিত। দার্জিলিঙে এসডিও অফিস ও টার্নবুল স্কুলের কাছে ধস নেমে একাধিক বাড়িঘর ভেঙেছে বলে খবর।

Heavy rain, landslides cut off highway linking Gangtok, flood low lying  North Bengal areas

অতিবৃষ্টি ও ধসের কারণে কালিম্পংয়ের শৈলশহর লাভা লণ্ডভণ্ড। একাধিক জায়গায় রাস্তা বসে গেছে। লাভা থেকে গরুবাথান যাওয়ার রাস্তা বন্ধ হয়েগেছে। অন্যদিকে শিলিগুড়ি পুরসভা জানিয়েছে, ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে ২৯ মাইলের কাছে ধস নেমে রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে। ওই এলাকায় যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন।

Heavy Rains Trigger Multiple Landslides in Darjeeling, Several Highways,  Roads Blocked

টানা বৃষ্টিতে বন্ধ টয় ট্রেন চলাচল। টানা বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে বাগডোগরা থেকে বিমান চলাচলেও। দার্জিলিং, কালিম্পং, লাভা, লোলেগাঁওতে কয়েক হাজার পর্যটক আটকে পড়েছেন। ধস নেমে রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সমতলে ফিরতে পারছেন না তাঁরা।

জলমগ্ন এলাকাগুলো থেকে জোরকদমে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দল। বালির বস্তা ফেলে নদীবাঁধ রক্ষা করার চেষ্টা করা হচ্ছে। রাস্তাঘাট পরিষ্কার করার কাজও শুরু হয়েছে।

পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকাসুখপাঠ

You might also like