Latest News

অলিম্পিয়াডে প্রথম শান্তিপুরের হকারের সন্তান! অভাবকে হার মানিয়েছে প্রতিভা ও পরিশ্রম

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সাইকেলে করে গ্রামে ঘুরে ঘুরে কাগজের ফুল বিক্রি করেন নারায়ণ কর (Hawker)। কোনও রকমে চলে সংসার, ছেলের স্কুলের পড়াশোনা। আলাদা করে গৃহশিক্ষক রাখার ক্ষমতা নেই। তাই দিনভর হাড়ভাঙা খাটুনির পর ফিরে এসে, সন্ধ্যায় ছেলে রাহুলকে পড়তে নিয়ে বসান নারায়ণ। বাপ-বেটায় মিলে সারেন জটিল অঙ্কের সমাধান, জেনে নেন বিজ্ঞানের খুঁটিনাটি, রসায়নের ফর্মুলা, ইতিহাসের যাবতীয় গল্পগাথা। এভাবেই বিদ্যাসাগর সায়েন্স অলিম্পিয়াডে (Olympiad) প্রথম (first) হল শান্তিপুরের রাহুল।

দিন কয়েক আগে সারা বাংলায় আয়োজিত হয়েছিল বিদ্যাসাগর সায়েন্স অলিম্পিয়াড। তাতেই শান্তিপুরে প্রথম স্থান অধিকার করেছে রাহুল। শান্তিপুরের মধ্যে এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ বাকি পাঁচ জনই রাহুলের পিছনে রয়েছে।

শান্তিপুর হিন্দু হাই স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র রাহুল। অঙ্ক এবং ভৌত বিজ্ঞান তার প্রিয় বিষয়। সে উচ্চমাধ্যমিক পড়তে চায় সায়েন্স নিয়ে, তার পরে জয়েন্ট পরীক্ষা দিয়ে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন রাহুলের। তবে টাকা নিয়ে ভাবনা নেই। সে নিজে আত্মবিশ্বাসী, সে আরও বিভিন্ন স্কলারশিপের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নিজেই জোগাবে নিজের পড়ার খরচ।

রাহুলের বাবা নারায়ণ কর মনে করেন, অভাব থেকেই উন্মোচিত হয় প্রতিভা। অনেক বড় জায়গায় পৌঁছনোর সুযোগ আছে এই পৃথিবীতে। অর্থনৈতিক পরিস্থিতি কখনওই প্রতিবন্ধকতা হতে পারে না শেখার বা জানার ক্ষেত্রে। আপাতত বৃত্তিমূলক এই অলিম্পিয়াড পরীক্ষা থেকে প্রতি মাসে এক হাজার টাকা করে পাবে রাহুল। এর পর দ্বিতীয় ধাপে জেলা স্তরে আর একটি পরীক্ষা দিয়ে পাওয়া যাবে মাসে ২০০০ টাকা করে। তারপর তৃতীয় ধাপে, বাৎসরিক ২৭ হাজার টাকা মিলতে পারে।

সাঁওতালি ভাষায় সংবিধান অনুবাদ! বাঁকুড়ার শ্রীপতির দারুণ কীর্তি, প্রশংসায় পঞ্চমুখ খোদ প্রধানমন্ত্রীও

You might also like