Latest News

কল্যাণ কোন হরিদাস পাল, উনি তো জোকার, তোপ দিলীপের, পাল্টা তৃণমূল সাংসদ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ডায়মন্ড হারবারে বিজেপি সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডার কনভয়ে হামলার ঘটনা নিয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিব ও ডিজিকে চিঠি পাঠিয়ে তলব করেছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। সেই প্রেক্ষিতে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভল্লাকে চিঠি লিখেছিলেন। তাতে তিনি দাবি করেছিলেন, কেন্দ্রীয় সরকার এক্তিয়ার বহির্ভূত কাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা রাজ্যের বিষয়।

এবার তা নিয়ে কল্যাণের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, “আইএএস, আইপিএসদের টিকি বাঁধা রয়েছে দিল্লিতে। যখন খুশি তাঁদের দিল্লি ডাকতে পারে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কোন হরিদাস পাল?” তিনি আরও বলেন, “একটা আধ পাগলা লোক আইনজীবী হয়ে গেছে। যা হওয়ার তাই হচ্ছে।”

এসব ব্যাপারে কল্যাণবাবু প্রতিক্রিয়া দিতে দেরি করেন না। তিনিও পাল্টা আক্রমণ শানিয়েছেন মেদিনীপুরের সাংসদের বিরুদ্ধে। শ্রীরামপুরের সাংসদ বলেন, “দিলীপ ঘোষ তো একটা ফোর টোয়েন্টি। মাফিয়া, গুণ্ডা। ওঁর থেকে আমায় আইনজীবীর সার্টিফিকেট নিতে হবে!” তিনি আরও বলেন, “সাংসদ হিসেবে দিলীপবাবুর এখনও অন্নপ্রাশনই হয়নি। তাই তিনি চিঠি লেখার এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।”

আপাতত দিলীপ ঘোষ রয়েছেন দক্ষিণ দিনাজপুরে। সোমবার সকালে সেখানে চা চক্রে মিলিত হয়েই কল্যাণদের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। তাঁর নিশানায় ছিল প্রবীণ তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ও। দিলীপ ঘোষ বলেন, “মা-মাটি-মানুষের যাত্রা পালার এখন দু’জন জোকার হয়েছে। একজন মোটা, একজন পাতলা। বেচারা সৌগতবাবু! অধ্যাপক মানুষ। রাজনীতির বিশেষ কিছু বোঝেন না। তাঁকে এখন সামনে এগিয়ে দিচ্ছে তৃণমূল। আর রোজ ল্যাজে গোবরে হচ্ছেন।”

সৌগত রায় বলেছেন, “দিলীপ ঘোষ যে ভাষায় কথা বলেন তার প্রতিক্রিয়া দিতে আমার লজ্জা হয়। আমি ৩৫ বছর অধ্যাপনা করেছি। উনি তেমন কিছু কোনও দিন করেছেন বলে তো শুনিনি।”

দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, “কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় যে চিঠি দিল্লিতে পাঠিয়েছেন তার কোনও মূল্য নেই। ও চিঠি ডাস্টবিনে চলে গেছে। সামনের বার ওঁকে হারিয়ে বাড়িতে ঢুকিয়ে দেব।” পাল্টা কল্যাণ বলেছেন, “লোকসভায় জেতার পর নিজের বিধানসভার উপনির্বাচনে গো হারা হেরেছেন দিলীপ ঘোষ। একুশের বিধানসভার পর ওঁকে গুজরাতে গিয়ে থাকতে হবে।”

You might also like