Latest News

‘বিজেমূল’ তত্ত্ব উধাও! সিপিএম সমালোচনা করল সিবিআইয়ের, দুর্নীতি নিয়ে খোঁচা তৃণমূলকেও

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভোটে হারার পর কি লাইন পাল্টে ফেলল সিপিএম?
নারদ গ্রেফতারি নিয়ে দুপুরে যে বিবৃতি জারি করল আলিমুদ্দিন স্ট্রিট তাতে কোথাও তৃণমূল-বিজেপি সেটিং বা ‘বিজেমূল’ তত্ত্ব নেই। যা গত কয়েক বছর ধরে ভাঙা রেকর্ডের মতো বাজিয়ে গিয়েছে সিপিএম তথা বামেরা।
ভোট বিপর্যয়ের পর সিপিএমে এখনও দলের মধ্যে ময়নাতদন্ত করেনি। কিন্তু প্রাথমিক ভাবে একটা বিষয় রাজ্য নেতাদের একতা বিষয় পইপই করে বলে দেওয়া হয়েছে, কোনও রাজনৈতিক ঘটনা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় দুমদাম মন্তব্য লেখা যাবে না। দেখা গেল এদিন দুপুরে পর রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্রর লিখিত বিবৃতি প্রকাশ করল আলিমুদ্দিন স্ট্রিট।

তাতে বলা হয়েছে মহামারী পরিস্থিতে সরকারের অপদার্থতা চাপা দিতেই এ কাণ্ড ঘটানো হয়েছে। আসলে নজর ঘোরানোর চেষ্টা। সিপিএম রাজ্য সম্পাদক স্পষ্ট করে ওই বিবৃতিতে লিখেছেন, সিবিআইয়ের এই পদক্ষেপের তীব্র প্রতিবাদ করছে সিপিএম। সেইসঙ্গে করোনা পরিস্থিতির কথা না ভেবে যে ভাবে নিজাম প্যালেসের সামনে তৃণমূল জমায়েত করেছে তারও সমালোচনা করেছে সিপিএম।

সিপিএম প্রশ্ন তুলেছে, এত দিন কেন এই তদন্তে ঢিলেমি দেওয়া হয়েছে তা নিয়েও। সূর্য বাবু লিখেছেন, কেন লালকৃষ্ণ আডবাণীর নেতৃত্বে গঠিত হওয়া সংসদের এথিক্স কমিটিকে অকেজো করে রাখা হয়েছিল? সিপিএমের দাবি, দল ভাঙানোর জন্য এই কেলেঙ্কারির তদন্ত ধামাচাপা দিয়ে রাখা হয়েছিল। আর কিছু নেতাকে নিজেদের দলে নিয়ে রক্ষাকবচ দিয়েছে বিজেপি।

যদিও সিপিএমের বিবৃতিতে কোথাও মুকুল রায় বা শুভেন্দু অধিকারীর গ্রেফতার না হওয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়নি। তবে আইনজীবী তথা রাজ্যসভায় সিপিএম সাংসদ বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য বলেছেন, “বিকাশ ভট্টাচার্যের বক্তব্য, “আমি যতদূর আইন বুঝি তাতে লোকসভা বা বিধানসভার স্পিকারের অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন ছিল না। তাই অভিযুক্ত সবাইকেই গ্রেফতার করা উচিত।”

বিধানসভা ভোটে শূন্য পেয়েছে সিপিএম। কিন্তু এদিন তারা বলেছে, বিজেপির বোঝা উচিত রাজ্যের মানুষ সদ্যই তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আবার তৃণমূলেরও শিক্ষাগ্রহণ করা উচিত, দলের মধ্যে দুর্নীতিগ্রস্তদের নিয়ে বিজেপির মতো ভয়ঙ্কর শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করা যায় না।

You might also like