Latest News

বাংলায় দেড় হাজার ছাড়াল করোনা সংক্রমণ, আরও কড়া নিয়ম চালু হতে পারে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইঙ্গিতটা মিলেছিল বুধবারই। রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণ (Corona) এক লাফে দেড় হাজারের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছিল। আজ বৃহস্পতিবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিনে দেখা গেল, একদিনেই করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৫০০ ছাপিয়ে গেছে। সংক্রমণে মৃত্যুও হয়েছে একজনের। করোনার প্রথম দুই ঢেউয়ের সময়েও এমন ধীরে ধীরে সংক্রমণের গ্রাফ বেড়েছিল। তারপর একলাফে দৈনিক সংক্রমণ চার হাজারের গণ্ডি ছাড়িয়ে গিয়েছিল। সেই বিভীষিকাময় দিনগুলো আবার ফিরে আসবে কিনা সে নিয়ে চিন্তা বেড়েছে স্বাস্থ্য় দফতরের।

রাজ্যের মধ্যে শুধু কলকাতাতেই দৈনিক আক্রান্ত পাঁচশোর ওপর। পাঁচশোর কাছাকাছি পজিটিভ রোগী উত্তর ২৪ পরগনায় (Corona)। কিছুদিন আগেও সংক্রমণের হার ৭ শতাংশে থিতু ছিল। এখন তাই ১২ শতাংশে পৌঁছে গেছে। ১১ হাজারের বেশি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে একদিনে। তাতেই হিসেব কষে দেখা গেছে সংক্রমণের হার ১২.৮৯ শতাংশে পৌঁছে গেছে।

নতুন করে যত সংক্রমিত হয়েছেন, তার মধ্যে বেশিরভাগটাই কলকাতায়। শহরে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ৬২১। পাল্লা দিয়ে সংক্রমণ বাড়ছে দুই ২৪ পরগনাতেও।

পরিস্থিতি যে খারাপ হতে চলেছে, সেই আঁচ গত কয়েক দিন ধরেই মিলছিল। দেশের বাকি অংশের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আক্রান্তের (Corona) সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছিল বাংলায়। কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনার নতুন করে সংক্রমণের গ্রাফ বাড়ছিল। এর মধ্যেই ওমিক্রনের নতুন দুই উপপ্রজাতি বিএ৪ ও বিএ৫ এর সংক্রমণ বাড়ছে বলে খবর দেয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। রাজ্যে রাজ্যে সতর্কতা জারি করা হয়।

কলকাতার বেশ কিছু বেসরকারি হাসপাতালের করোনা (Corona) পরীক্ষার পরিসংখ্যানেও সংক্রমণ বাড়ার ছবিই উঠে আসছে। আগের মতো অত ভয়ঙ্কর না হলেও হাসপাতালে ভর্তিও হতে হচ্ছে অনেককেই।

করোনা (Corona) পরিস্থিতি যাতে ফের নাগালের বাইরে না চলে যায় তার জন্য নির্দেশিকা জারি করেছে নবান্ন। সেখানে বলা হয়েছে, অ্যাসিম্পটোমেটিক বা উপসর্গহীন Covid যাঁরা এবং ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ নেওয়া আছে এমন ব্যক্তিরাই কোনও জমায়েতে যেতে পারেন। ভ্যাকসিন সকলে নিয়েছেন কিনা সে নিয়ে আবারও ক্য়াম্পেন শুরু করতে হবে। প্রয়োজন হলে দরজায় দরজায় গিয়ে ভ্যাকসিন দিতে হবে। যে স্বাস্থ্যকর্মী ও ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কাররা Covid বহু মানুষের সংস্পর্শে আসছেন তাঁদের অবশ্যই ভ্যাকসিনের দুটো ডোজ নেওয়া থাকতে হবে। বিদেশ থেকে এলে আবারও আরটি-পিসিআর টেস্ট করাতে হবে। সংক্রমণ কতটা বাড়ছে তা জানতে প্রত্যেক মাসে নিয়মিত সমীক্ষা চালিয়ে যেতে হবে।

You might also like