Latest News

দুর্গাপুজোর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিতে উচ্ছ্বাস বিজেপি-র, পাল্টা খোঁচা তৃণমূলের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইউনেস্কোর আবহমান ঐতিহ্যের তালিকায় জায়গা পেয়েছে কলকাতার দুর্গাপুজো। বুধবারই প্যারিসে এই সংক্রান্ত সম্মেলনের পর মহানগরকে মহা স্বীকৃতি দিয়েছে আন্তর্জাতিক সংস্থাটি। তারপর থেকে এই সাফল্য উদযাপনে হইহই করে নেমে পড়েছে বিজেপি।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই সাফল্যকে দেশের গর্ব হিসেবে দেখাতে চেয়েছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ টুইট করে লিখেছেন, এ আসলে জাতীয় ঐক্যের পরম্পরার স্বীকৃতি। বাংলার বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী প্রধানমন্ত্রীর টুইট রিটুইট করে লিখেছেন, ‘সকল বাঙালি ও সকল ভারতীয়র কাছে গর্বের দিন। আমাদের দুর্গাপুজো আজ বিশ্ববন্দিত।’

অনেকের মতে, এইসব টুইটে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বা বিজেপি নেতারা সরাসরি নিজেদের কলার না তুললেও হাবভাবে বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন, যা হয়েছে তাঁদের জন্যই হয়েছে। কিন্তু বাংলা বিজেপি সেটাই করে বসেছে। মুরলীধর সেন লেনের অফিশিয়াল টুইটার হ্যান্ডল থেকে লিখে দেওয়া হয়, যা হয়েছে মোদীর জন্য হয়েছে। এই উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রীই নিয়েছিলেন। ইউনেস্কোতে প্রধানমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রীর দফতর প্রস্তাব না করলে দুর্গাপুজোর এই স্বীকৃতি জুটতো না।

যা দেখে অনেকেই ভ্রু কুঁচকেছিলেন। ওই টুইটে বিদ্রুপও ধেয়ে আসছিল। জনৈক এক অধ্যাপিকা বাংলা বিজেপির ওই টুইটে গিয়ে লিখেছিলেন, মোদীর জন্যই মা দুর্গা ধন্য হলেন!

কাজটা মোটা দাগের হয়ে গিয়েছে দেখে বাংলা বিজেপি ওই টুইট শেষপর্যন্ত মুছে দিয়েছে। তবে গেরুয়া শিবিরের উচ্ছ্বাসকে তীব্র কটাক্ষ করেছে তৃণমূল। এদিন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, “এঁদের লজ্জাও নেই! এই কয়েক মাস আগেও বাংলায় এসে বলছিলেন, রাজ্যে নাকি দুর্গাপুজো হয় না। আর এখন কৃতিত্ব নিতে নেমে পড়েছেন!” কুণাল আরও বলেন, “কলকাতার দুর্গাপুজো যাতে ইউনেস্কোর আবহমান ঐতিহ্যের তালিকায় আসে তার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করছিলেন। পর্যবেক্ষকদের কেউ কেউ এও বলছে, বাংলার মানুষের কাছে দুর্গাপুজোটা উৎসব। এখানে ধর্মের বিষয়টা কখনওই মুখ্য নয়। কিন্তু বিজেপি এই জায়গাটাকেই হিন্দুত্বের গৌরব হিসেবে দেখাতে চাইছে। তাই এই উচ্ছ্বাস।

You might also like