Latest News

SSKM laryngoscopy: গলায় কাজলের কৌটো আটকে মৃতপ্রায় ছিল শিশু, প্রাণ বাঁচাল পিজি

দ্য ওয়াল ব্যুরো

প্লাস্টিকের কাজলের কৌটো গিলে ফেলেছিল আট মাসের শিশু (8 months Child)। শ্বাসনালীতে সেই কৌটো আটকে ছিল দীর্ঘক্ষণ। শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা নেমে এসেছিল ৫০ শতাংশে। এনআরএস-এ গেলেও শিশুটিকে ফিরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। তারপর বাচ্চাটির বাবা-মা তাকে নিয়ে যান এসএসকেএম হাসপাতালে। শিশুটির সারা শরীর ততক্ষণে নীল হয়ে এসেছে। দমবন্ধ অবস্থা। ভেন্টিলেশনে রেখে ল্যারিঙ্গোস্কোপি (SSKM laryngoscopy) করে শিশুটির প্রাণ বাঁচান এসএসকেএম-এর ইএনটি বিভাগের ডাক্তাররা।

কী হয়েছিল শিশুটির? কীভাবে প্রাণ বাঁচালেন ডাক্তাররা? (SSKM laryngoscopy)

নিউটাউনের বাসিন্দা আট মাসের রীতেশ বাগড়ির গলায় আটকে গিয়েছিল কাজলের কৌটো। ডাক্তাররা বলছেন, দীর্ঘসময় ওই প্লাস্টিকের কৌটো শ্বাসনালীতে আটকে থাকায় ফুসফুসে অক্সিজেন পৌঁছনো প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল শিশুটির। সারা শরীর নীল হতে শুরু করেছিল। শ্বাসনালীতে সংক্রমণ হতে পারত। কিন্তু তার আগেই ডাক্তাররা অস্ত্রোপচার করে কৌটোটি বের করে দেন। তবে বাচ্চাটির পরিবার বলছে, দুটি হাসপাতাল ঘুরে এসএসকেএমে Direct Rigid Laryngoscopyআসতে যে সময় লাগে তার মধ্যেই বাচ্চাটির অস্ত্রোপচার হয়ে গেলে বিপদ অনেক কমে যেত। বাচ্চাটিকে প্রথমে নিউটাউনের কাছেই একটি সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই হাসপাতাল এনআরএস-এ রেফার করে। এনআরএস-এর ডাক্তাররা ফিরিয়ে দিলে তারপর এসএসকেএম-এ শিশুটিকে নিয়ে আসেন তার বাবা-মা।

আরও পড়ুন: Shane Warne: ৫২ বছরেই কেন হার্ট অ্যাটাক? বেশি মেদ ঝরাতে গিয়েই কি বিপদ ডাকলেন অজি স্পিনার

এসএসকেএম-এর ইএনটি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. অরুণাভ সেনগুপ্ত বলছেন, ল্যারিঙ্গোস্কোপি করে শিশুটির শ্বাসনালী থেকে কাজলের কৌটো বের করা হয়েছে। এক্স-রে করে দেখা যায়, শ্বাসনালীর মুখের কাছে আটকে ছিল কৌটোটি। শিশুর মুখ হাঁ করে প্রথমে একটি নল ঢোকানো হয়। এর পরে নলের মধ্যে ছোট সাঁড়াশির মতো ফরসেপ ঢুকিয়ে কৌটো বের করে আনা হয়। একে বলা হয় পেডিয়াট্রিক ল্যারিঙ্গোস্কোপি (SSKM laryngoscopy)। বাচ্চাটি আপাতত বিপদ মুক্ত। তবে দীর্ঘ সময় শ্বাসনালীতে কৌটো আটকে থাকায় তার শারীরিক অবস্থা সঙ্কটাপন্ন। বাচ্চাটিকে এখন পেডিয়াট্রিক ইন্টেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (পিকু) ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে।

You might also like