Latest News

দাদা টাকা পাঠাতে পারছেন না, কলকাতায় খালিপেটে দিন কাটছে শ্রীলঙ্কার ছাত্রের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: তাঁর দেশে জ্বালানি নেই, কাগজ নেই, খাবারদাবারও ডুমুরের ফুল। সে দেশের পরিস্থিতি ভাষায় বর্ণনা করা যায় না। এসবের থেকে বহুদূরে রয়েছেন কেশভন। শ্রীলঙ্কার (Sri Lanka) এই ছাত্র কলকাতায় (Kolkata) রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে (Rabindra Bharati University) ফাইন আর্টসের ছাত্র। কিন্তু এত দূরে থেকেও দেশের দুর্দশার আঁচ লেগেছে তাঁর গায়ে।

শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বো থেকে কেশভনের বাড়ি অনেকটা দূর। কুমারওয়াত্তা নামক গ্রামে থাকেন কেশভন। সেখানে তাঁর দাদা অটো চালান। সেটাই পরিবারের রোজগারের একমাত্র উৎস। তবে দেশের এই বিপর্যয়ে বন্ধ হয়ে গেছে অটোর চাকা। জ্বালানি নেই, অটো চলবে কীভাবে?

রোজগার নেই বলে কলকাতায় কেশভনকে টাকা পাঠাতে পারছেন না তাঁর দাদা। আর বিদেশ বিঁভুইয়ে তাই অকুল পাথারে পড়েছেন ভাই। দু’বেলা ভাল করে খেতেই পাচ্ছেন না। হোস্টেলের ভাড়া দিতে দিতেই ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে পকেট।

আরও পড়ুন: শ্রীলঙ্কার বর্তমান অবস্থা কেমন, চলতি সংকটের কারণ ঠিক কী কী?

শ্রীলঙ্কায় জিনিসপত্রের দাম এখন আগ্নিমূল্য বললেও কম বলা হয়। এক লিটার দুধ সেখানে বিকোচ্ছে ২০০০ টাকায়। সামান্য এক কাপ চায়ের দাম ১০০ টাকা। কেশভনের পরিবারও ব্যাপক আর্থিক দুর্দশার মধ্যে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ফাইন আর্টসের প্রতিশ্রুতিমান ছাত্র কেশভন চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। রোজগারের কোনও উপায় তিনি এ শহরে পাচ্ছেন না। দেশে ফিরেও কিছু সুবিধা করতে পারবেন, এমন ভরসা নেই। পুজোর আগেই এদেশে কেশভনের ভিসার মেয়াদ শেষ হবে, শ্রীলঙ্কায় ফিরে যেতে হবে তাঁকে।

আরও পড়ুন: কে এই তরুণী? ফ্যাশন ডেস্টিনেশন বানালেন শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি ভবনকে

You might also like