Latest News

অঘটন না ঘটলে জো বার্গে জয় অসম্ভব ভারতের, চালকের আসনে প্রোটিয়াবাহিনী

দ্য ওয়াল ব্যুরো: এই মাঠেই সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের দলের ২০০৩ বিশ্বকাপ ফাইনালে হার। রিকি পন্টিংরা চূর্ণ করে দিয়েছিলেন টিম ইন্ডিয়াকে। জাহির খানের সেই ২৬ বলের ওভার ভোলেনি এই মাঠের সিংহদরজাও।

আবার এই জো বার্গের ওয়ান্ডার্সের মধুর সব স্মৃতি রয়েছে ভারতীয় দলের। মোট ৫টি টেস্ট ম্যাচের দু’টিতে জয়, তিনটি ড্র। হারেনি টেস্টে, সেই রেকর্ড কি অম্লান থাকবে এবারও? প্রশ্নটা ঘুরছে সমানে।

বুধবার টেস্টের তৃতীয় দিনের শেষে চালকের আসনে ঘরের দলই। ভারতের ২৪০ রানের টার্গেটের সামনে দক্ষিণ আফ্রিকা করেছেন দুই উইকেটে ১১৮/২। বোঝাই যাচ্ছে আর জয়ের জন্য দরকার ১২২ রানের, হাতে আট উইকেট। এমতাবস্থায়, হার তখনই সম্ভব হবে প্রোটিয়াদের, যদি মিরাকল কিছু ঘটে। তা হলেই হাসিতে মাঠ ছাড়বে কেএল রাহুলের দল।

ইতিহাস বলছে, গত ১১ বছরে শেষ ইনিংসে দু’শোর বেশি রান তুলে দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ জিতেছে মাত্র একবার। ভারতের দেওয়া ২৪০ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে খেলতে নেমে এদিন অনবদ্য ব্যাটিং করেন প্রোটিয়ারা। বিশেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক ডিন এলগার।

শুরু থেকে বুমরা, শামিদের গোলাগুলি সামলে ইনিংসের হাল ধরে রাখেন তিনি। শুরুতে তাঁকে সঙ্গ দেন মার্করাম। তিনি প্যাভিলিয়নে ফেরার পর এলগারের সঙ্গে জুটি বাঁধলেন পিটারসেন। পিটারসেনের উইকেটের পর ভ্যান ডার ডুসেনকে সঙ্গে নিয়েই ভারতীয় বোলারদের মোকাবিলা শুরু করেন প্রোটিয়া অধিনায়ক। দিনের শেষে ৪৬ রানে অপরাজিত থাকলেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ১১ রানে অপরাজিত থাকলেন ভ্যান ডার ডুসেন।

ভারতের পেস বোলারদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে বৃহস্পতিবার। শামি, বুমরাদের পাশে আরও একজন রয়েছেন, যাঁর দিকে তাকিয়ে রয়েছে পুরো দল, তিনি লর্ড শার্দুল ঠাকুর, গত ইনিংসে একাই সাত উইকেট নিয়ে বিপক্ষকে তছনছ করে দিয়েছিলেন, এবারও জ্বলে উঠলে ভারতের টেস্ট সিরিজ এই মাঠেই হয়ে যাবে। অপেক্ষা করতে হবে না কেপটাউন পর্যন্ত।

চমকপ্রদ তথ্য এই যে, শার্দুল খেলেছে ভারতের হয়ে মোট ছয়টি টেস্ট ম্যাচ, তার মধ্যে কোনওবারই দল হারেনি। সেই মিথ বজায় থাকলে জো বার্গেও জয় অপেক্ষা করছে ভারতের জন্য। দেখা যাক মধুরেণ সমাপয়েৎ হয় কিনা।

 

You might also like