Latest News

১১ টি দেশ থেকে সিঙ্গাপুরে গেলে কোয়ারান্টাইনে থাকতে হবে না, বাদ ভারত

দ্য ওয়াল ব্যুরো : আগামী ১৯ অক্টোবর থেকে মোট ১১ টি দেশের যাত্রীরা সিঙ্গাপুরে (Singapore) গেলে তাঁদের কোয়ারান্টাইনে থাকতে হবে না। তবে ‘কোয়ারান্টাইন ফ্রি ট্রাভেল’-এর জন্য অবশ্যই তাঁদের হু-অনুমোদিত ভ্যাকসিনের দু’টি ডোজ নিতে হবে। সিঙ্গাপুর সরকার জানিয়েছে, ‘ভ্যাকসিনেটেড ট্রাভেল লেন’ প্রকল্পের মধ্যে আছে সাতটি ইউরোপীয় দেশ। তারা হল ডেনমার্ক, ফ্রান্স, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, স্পেন, জার্মানি ও ব্রিটেন। এছাড়া আছে আমেরিকা ও কানাডা। একমাত্র যে এশীয় দেশটি এই তালিকায় আছে, তার নাম ব্রুনেই। এছাড়া দক্ষিণ কোরিয়ার যে নাগরিকরা ভ্যাকসিনের দু’টি ডোজ নিয়েছেন, তাঁদেরও ১৫ নভেম্বর থেকে কোয়ারান্টাইনে থাকতে হবে না। ভারত, চিন ও ইন্দোনেশিয়ার নাম এই তালিকায় নেই।

ভ্যাকসিনেটেড ট্রাভেল লেন প্রকল্পের সুবিধা নিতে হলে কোনও যাত্রীকে বিশেষ ফ্লাইটে সিঙ্গাপুরে যেতে হবে। সেই বিমান চালাবে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স বা লুৎফাহানসা। আগামী দিনে আরও কয়েকটি উড়ানকে এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত করা হবে। সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স আপাতত ভ্যাকসিন ফ্রি ট্রাভেল প্রকল্পের বিমান চালু করেছে ১৪ টি শহর থেকে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে আরও কয়েকটি শহর থেকে ওই প্রকল্পে উড়ান শুরু হবে।

বিশেষ বিমানে যে যাত্রীরা থাকবেন, তাঁদের টিকাকরণের প্রমাণ সঙ্গে রাখতে হবে। সেই সঙ্গে আরটি পিসিআর টেস্ট করাতে হবে উড়ানের অন্তত ৪৮ ঘণ্টা আগে। সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমান বন্দরে নেমে আরও একবার তাঁদের কোভিড টেস্ট হবে। এর আগে সিঙ্গাপুরে প্রবেশ করতে গেলে বিদেশিদের চার দফা পরীক্ষা দিতে হত।

সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি সিয়েন লুং কিছুদিন আগে বলেন, আমাদের কোভিডের সঙ্গেই বাঁচতে হবে। অহেতুক ভয় পেলে চলবে না। গত শনিবার টিভিতে এক ভাষণে তিনি বলেন, ডেল্টা ভ্যারিয়ান্ট প্রমাণ করেছে, কোভিড সহজে দূর হবে না। কিন্তু টিকাকরণ, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও কড়া নজরদারি চালু থাকলে, ‘নিউ নর্মাল’ পরিস্থিতিতে জীবনযাপন করা সম্ভব। তাঁর মতে, আগামী তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

এর মধ্যে জানা যায়, ভারতে আপাতত নিম্নমুখী হয়েছে কোভিড গ্রাফ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের ১৮ হাজার ১৩২ জন মানুষ নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন কোভিডে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান বলছে, গত ৭ মাসে এই সংখ্যাই সবচেয়ে কম। পাশাপাশি, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে কোভিডে মৃত্যু হয়েছে ১৯৩ জনের। অন্যদিকে কোভিড জয় করে বাড়ি ফিরেছে ২১ হাজার ৫৬৩ জন।

You might also like