Latest News

মইদুলের সন্তানদের দায়িত্ব নিল এসএফআই-ডিওয়াইএফআই, থানা ঘেরাওয়ে জেলায় জেলায় অশান্তি

দ্য ওয়াল ব্যুরো: অটো চালাতেন মইদুল ইসলাম মিদ্যা। নবান্ন অভিযানে জখম বাম যুবকর্মীর মৃত্যৃবর পর থেকেই তাঁর অভাবের সংসারের ছবির উঠে এসেছিল।

তাঁর দুই কন্যা সন্তান রয়েছে। একজনের বয়স ১০, একজনের পাঁচ। মইদুল তথা ফরিদ ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনশীল। শিশুকন্যাদের ভবিষ্যৎ কী হবে? এ নিয়ে যখন অনেকেই উত্‍কণ্ঠা প্রকাশ করছিলেন তখন এসএফআই রাজ্য সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য এদিন বলেন, “শহীদ কমরেডের সন্তানদের লেখাপড়ার দায়িত্ব নেবে বাম ছাত্রযুবরা।”

গতকাল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠকে বলেছিলেন, “যে কোনও মৃত্যুই দুঃখজনক। কী ভাবে মারা গেছে তা ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে। পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। যদি পরিবার চায় তাহলে আমরা (পড়ুন রাজ্য সরকার) একজনকে চাকরি দেব।”

পাল্টা এদিন এই ঘোষণা করে বাম ছাত্র-যুবরা বলেন, জুতো মেরে গরু দানের প্রয়োজন নেই। তারা নিজেরই শহীদ কন্যাদের পড়াশোনার খরচ জুটিয়ে নিতে পারবে।

মইদুলের মৃত্যুর প্রতিবাদে এদিন বাম ছাত্র-যুবদের থানা ঘেরাও অভিযান ঘিরে জেলায় জেলায় অশান্তির পরিস্থিতি তৈরি হয়। সল্টলেকে বাম-কংগ্রেসের প্রতিবাদ মিছিলে বাধা দেওয়ায় পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়ে বিক্ষোভকারীরা।

এদিন কয়েকশ বাম ও কংগ্রেসের কর্মী সমর্থক নবান্ন অভিযানে মঈদুলের মৃত্যুর প্রতিবাদে এক মইদুলের মৃত্যুর প্রতিবাদে মশাল মিছিলের আয়োজন করে। সল্টলেকের আইবি ব্লক থেকে বাম ও কংগ্রেসের কর্মীরা মিছিল করে যখন সল্টলেকের আমুল আইল্যান্ডে পৌঁছয়, সেই সময় কর্মরত বিধান নগর পুলিশ কমিশনারেট এর পুলিশ এই মিছিল আটকায়। পুলিশের সঙ্গে বাম-কংগ্রেস কর্মীদের সাথে শুরু হয় বচসা। তারপর ধস্তাধস্তি। শ্রীরামপুর, উত্তরপাড়া সহ একাধিক জায়গায় থানা ঘেরাও পথ অবরোধ নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হয়।

You might also like