Latest News

জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষায় বসা হয়নি, প্রমাণ করা হয়নি নিজেকে, এবার ফিরছে সুযোগ

স্বস্তিকা ঘোষ

(হরিনাভি সুভাষিণী বালিকা বিদ্যালয়, ছাত্রী)

আমি এই বছরই মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছি। পরীক্ষা দিয়েছি বললে ভুল হবে। পরীক্ষা বাতিল হওয়ায় একাদশে উঠেছি। তাই জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষায় বসার সুযোগ হয়নি। তাই নিজেকে বা নিজের প্রস্তুতির প্রমাণ করতে পারিনি। আবার স্কুল (schools) খোলার কথা শোনার পর থেকে সেই প্রমাণ করার তাগিদ ফিরে এসেছে।

করোনা আবহে দীর্ঘদিন আমাদের বিদ্যালয় বন্ধ ছিল। গতবছর মার্চ মাস থেকেই আমাদেরকে অনলাইনে পড়াশোনা চালাতে হয়েছে। প্রথম দিকে নিজের একটু অসুবিধা হলেও তারপর শিক্ষিকাদের সহায়তায় আমরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নিজেদেরকে তৈরি করেছি। তবে কোথাও যেন স্কুল যেতে না পারার একটা খারাপ লাগা ছিল, খোলার ঘোষণার পর সেটা কেটে গেছে।

নতুন করে খুবই আনন্দ হচ্ছে। আবার বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হবে। এতদিন যেটা মোবাইলে শিক্ষিকাদের কাছে পড়াশুনা করতাম সেটা আবার ক্লাসে বসে শিক্ষিকাদের পড়ানো শুনতে পারব। এটা ভেবে ভাল লাগছে। পাশাপাশি, স্কুলে বসে পরীক্ষা দিয়ে নিজেকে প্রমাণ করতে পারব।

কোভিডেই খুলছে স্কুল, টিফিন ভাগ করে খাওয়া যাবে না, আক্ষেপ ছাত্রীর

তবে সামান্য হলেও করোনার ভয় এখনও আছে। স্কুল খুলবে শোনার পর থেকেই মা সবসময় বলছে, মাস্ক না খোলার কথা, স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে। হাত ধুতে হবে। এইসব।

হ্যাঁ আমিও জানি সেটা মানতে হবে। তাই সেইসব মেনেই স্কুলে যাব। আমার বাড়ি থেকে স্কুল একটু দূরে। তাই যাওয়ার জন্য টোটো-অটোর ওপর নির্ভর করতে হয়। কিন্তু বাবা বলেছে, আলাদা টোটো করে দেবে। পৌঁছে দেবে, স্কুল শেষে বাড়ি ফিরিয়ে দেবে।

তবে দীর্ঘদিনএর অনভ্যাস পর আবার নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলতে কিছুটা হয়তো সমস্যা হবে। সময়ে স্কুলে যেতে হবে, আবার বাড়ি আসা। সঙ্গে সঙ্গে প্রাইভেট টিউশনে যেতে হবে। সব সময় করে করতে হবে। কিন্তু তাও একটা আনন্দ হচ্ছে।

পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা ‘সুখপাঠ’

You might also like