Latest News

Sabuj Sathi Cycle: ৪০০ টাকা কিলোয় বিক্রি হচ্ছে সবুজ সাথীর সাইকেল

দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্কুলের কচিকাঁচা ছেলেমেয়েরা সাইকেলে চেপে স্কুলে যাবে। সম্ভবত সেই কারণেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাধ করে নাম রেখেছিলেন সবুজ সাথী (Sabuj Sathi Cycle)।

অথচ তাঁর সরকারের দশ বছরের মেয়াদ শেষে দেখা যাচ্ছে সবুজ সাথী প্রকল্পের সেই সাইকেল ((Sabuj Sathi Cycle)) বিক্রি হচ্ছে কিলো দরে। অর্থাৎ যারা সাইকেল পেয়েছে, তাদের সাইকেল আর চলছে না। এখন ভাঙা সাইকেল কিলো দরে বেচে দিচ্ছে তারা।

নদিয়ার (Nadia) শান্তিপুরে এ ব্যাপারটা স্পষ্ট ভাবে ধরা পড়ল। মোটামুটি ভাবে ২০০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা কেজি দরে সবুজ সাথীর ভাঙা সাইকেল বিক্রি হচ্ছে। ইদের আগে এভাবে ভাঙা সাইকেল বিক্রি আরও বেড়ে গেছে।

শান্তিপুরের হকার কাদের আলি জানিয়েছেন, “ভাল সাইকেল হলে তারা ভাল দাম দিচ্ছেন। তবে অধিকাংশ সাইকেলের অবস্থা খারাপ। লোহায় জং ধরে গিয়েছে”।

গোটা বিষয় নিয়ে বিজেপি তথা বিরোধীরা যে কটাক্ষ করবেন তা প্রত্যাশিত। তবে বিজেপির শান্তিপুর এক নম্বর শহর সভাপতি অমিত বৈরাগী একটা বৃহত্তর সমস্যার ব্যাপারে সরকারের নজর টানতে চেয়েছেন। তাঁর কথায়, আসলে বহু ছাত্রছাত্রীর বাড়িতে এমনিতেই দুটি বা তিনটি সাইকেল রয়েছে। সরকার থেকে বিনামূল্যে সাইকেল পেয়ে সেটাও তারা নিয়ে নিচ্ছে, আর বাড়িতে ফেলে রাখছে। কারণ, সরকারের সাইকেল গুনমানে তাদের নিজেদের সাইকেলের থেকে খারাপ। তাই প্রথম প্রথম দু-একদিন চালিয়ে তার পর আর তা চড়ছে না। সেই সাইকেল পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে। তাই সরকারের উচিত, প্রকৃত যাদের দরকার তাদেরই সাইকেল দেওয়া এবং ভাল সাইকেল দেওয়া।

বস্তুত সবুজ সাথীর সাইকেল নিয়ে বিতর্ক অনেক দিনের। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ সাইকেল এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেওয়া হয়। এই অবস্থায় রাজ্যে কোনও প্রতিষ্ঠিত সাইকেল প্রস্তুতকারক সংস্থার ইউনিট কেন খুলল না তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তাতে রাজ্যে কিছু হলেও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারত। পর্যবেক্ষকদের অনেকের কথায়, আগে দেখা যেত কেউ সাইকেল কিনলে অন্তত পনেরো থেকে বিশ বছর সেই সাইকেল চালাত। এখন সবুজ সাইকেল যদি ২ বছরও ভাল করে না চলে, তা হলে বুঝতে হবে গুনমান খারাপ। সরকারের উচিত এ ব্যাপারে যত্নশীল হওয়া।

মহিলার চুল কেটে অত্যাচার! ‘অবৈধ সম্পর্কের’ অভিযোগে ‘শাস্তি’ দত্তপুকুরে

You might also like