Latest News

Rowing Death: খোঁজ নিল না স্কুল-ক্লাব, বোটে আটকানো জুতো খুলতে পেরেছিল? উঠছে প্রশ্ন

সুকমল শীল

রোয়িং বা রেগাটা খেলায় বিশেষ জুতো ব্যবহার করা হয়। যাকে রোয়িং জুতো বলা হয়। পায়ে বল পাওয়ার জন্য যা বোটের সঙ্গে লাগানো থাকে। রোয়িংয়ের আগে নৌকোয় লাগানো জুতোয় পা গলিয়ে স্ক্র্যাচার লাগিয়ে দিতে হয়। খোলার জন্য ওপরেই থাকে একটা দড়ি। যাতে টান দিলেই সঙ্গে সঙ্গে দু’পায়ের জুতোর স্ক্র্যাচার খুলে যায়। শনিবার বিকেলে নৌকা উল্টে যাওয়ার পরে কি ওই জুতো খুলতে পেরেছিল পুষণ, সৌরদীপ (Rowing Death)? এই উত্তর খুঁজছে পরিবার ও তদন্তকারীরা।

এদিনই সাউথ পয়েন্ট স্কুলের হয়ে পদকের স্বপ্ন দেখা দুই কিশোরের দেহ সৎকার করা হয়েছে। রাজা বসন্ত রায় রোডে বাড়ি সৌরদীপ চট্টোপাধ্যায়ের। বাড়ি থেকে একটানা কান্নার আওয়াজ থমথমে এলাকাকে ভারাক্রান্ত করে তুলেছে। স্কুলের বন্ধু, তাঁদের পরিবার, আত্মীয়স্বজন আসছেন। কিন্তু সান্ত্বনা জানানোর কোনও ভাষা পাচ্ছেন না তাঁরা। এক আত্মীয় বললেন, ‘ওরা দুই ভাই। বড় সৌনক ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছে। ওদের বাবা সৌভিকের বড় ব্যবসা। দুই ছেলেই পড়াশোনায় ভালো। সৌরদীপ খেলাধুলাতেও ভাল ছিল।’

Image - Rowing Death: খোঁজ নিল না স্কুল-ক্লাব, বোটে আটকানো জুতো খুলতে পেরেছিল? উঠছে প্রশ্ন

পরিবারের এক ঘনিষ্ঠ জানালেন, স্কুলকে পদক দেবে বলে খুব উৎসাহ নিয়ে প্র্যাকটিস করছিল। সেমিফাইনালে জিতেও ছিল। আজ ফাইনাল হওয়ার কথা ছিল। এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল (Rowing Death)। কিন্তু স্কুলের তরফে একবার খোঁজ নেওয়া হল না। ক্লাবের তরফেও কেউ আসেনি।

দুর্ঘটনা ঘটে লেকক্লাবের দিকের একটি আইল্যান্ডের পাশে। সেখানে জল খুবই গভীর বলে জানা গেছে। কাল থেকেই লেক ক্লাবের মূল গেট বন্ধ করে রাখা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ। গেটে কর্তৃপক্ষের তরফে নোটিস টাঙানো হয়েছে।

শনিবার বিকেলে রবীন্দ্র সরোবরে দুর্ঘটনায় দুই কিশোরের মৃত্যু (Rowing Death) একাধিক প্রশ্ন তুলে দিল। দুর্ঘটনার দায় কার, তা নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের নানা মন্তব্য শোনা গিয়েছে ইতিমধ্যেই। তবু স্বপ্ন দেখা দুই কিশোরের এই পরিণতি কি কোনও ভাবেই এড়ানো যেত না?

Image - Rowing Death: খোঁজ নিল না স্কুল-ক্লাব, বোটে আটকানো জুতো খুলতে পেরেছিল? উঠছে প্রশ্ন

ঝিল রোডের সুরমা ভবন আবাসনের তিনতলার ফ্ল্যাটের বাসিন্দা পুষণ সাধুখাঁ। তাঁর বাবা পীযূষ সাধুখা উল্টোডাঙ্গা ট্রাফিক গার্ডের অতিরিক্ত ওসি। একমাত্র পুত্রকে হারিয়ে তাঁরা কথা বলার পরিস্থিতিতে নেই। তাঁদের পরিবারের তরফে পীযূষবাবুর এক বন্ধু জানালেন, তাঁর ছেলে ও পুষণ ক্লাসমেট ছিল। পুষণ শনিবার দুপুরেই প্র্যাকটিসে চলে যায়। ওরা রবিবারের ফাইনাল নিয়ে খুব উত্তেজিত ছিল। তাঁর অভিযোগ, ঘটনার পর উদ্ধারের ন্যূনতম কোনও চেষ্টা করেনি ক্লাব কর্তৃপক্ষ। তাঁদের তরফে কেউ সেখানে ছিলই না। কোনও প্রশিক্ষকও ছিল না। ওদের পায়ের স্ক্র্যাচার আটকে গিয়েছিল কিনা, কেউ দেখার ছিল না।

নিজের খাসতালুক ইডেনে ঋদ্ধিমানের কাছে এবার ‘অন্য পরীক্ষা’

You might also like