Latest News

সনিয়া গান্ধীর বাড়ি ভাড়া বকেয়া রয়েছে, কত টাকা জানা গেল আরটিআইতে

দ্য ওয়াল ব্যুরো : নেতারা কে কত টাকা বাড়িভাড়া (House Rent) বকেয়া রেখেছেন? এই তথ্য জানার জন্য রাইট টু ইনফরমেশন (RTI) আইনে আবেদন করেছিলেন সুজিত প্যাটেল (Sujit Patel) নামে এক সমাজকর্মী। তাতে জানা যায়, বেশ কয়েকজন কংগ্রেস নেতা বাড়িভাড়া মেটাননি। এমনকি কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধীও তাঁর সরকারি বাসভবনের ভাড়া বাকি রেখেছেন।

কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রক জানিয়েছে, দিল্লির আকবর রোডে কংগ্রেসের সদর দফতরের ভাড়া শেষবার মেটানো হয়েছে ২০১২ সালের ডিসেম্বরে। এখন ওই অফিসের ভাড়া বকেয়া আছে ১২ লক্ষ ৬৯ হাজার ৯০২ টাকা। ১০ জনপথ রোডে সনিয়া গান্ধীর বাসভবনের ভাড়া মেটানো হয়েছে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে। ওই বাড়ির ভাড়া বাকি আছে ৪৬১০ টাকা।

সনিয়ার সচিব ভিনসেন্ট জর্জ নয়াদিল্লির চাণক্যপুরীর একটি বাংলোয় থাকেন। তার ভাড়া বাবদ ৫ লক্ষ ৭ হাজার ৯১১ টাকা মেটানো হয়নি। ২০১৩ সালের অগাস্টে শেষবার ওই বাংলোর ভাড়া দেওয়া হয়েছিল। সরকারের আবাসন নীতি অনুযায়ী, কোনও জাতীয় বা আঞ্চলিক দলকে একটি শর্তে বাংলো ভাড়া দেওয়া হয়। শর্তটি হল, তিন বছরের মধ্যে ওই দলকে নিজের অফিস তৈরি করতে হবে। তারপরেই ওই দল সরকারি বাংলো ছেড়ে দেবে। দলীয় কার্যালয় তৈরি করার জন্য ২০১০ সালের জুন মাসে কংগ্রেসকে ৯-এ রেসকোর্স অ্যাভিনিউতে জমি দেওয়া হয়েছিল।

নিয়মমতো ২০১৩ সালেই কংগ্রেসের আকবর রোডের অফিস ও আরও কয়েকটি বাংলো ছেড়ে দেওয়ার কথা। কিন্তু তারা এখনও বাড়িগুলি দখল করে আছে। ২০২০ সালের জুলাই মাসে সরকার কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকে নোটিশ পাঠায়। তাতে বলা হয়, তিনি যেন একমাসের মধ্যে লোদী রোডের বাসস্থান ছেড়ে দেন।

সনিয়াকে কটাক্ষ করে বিজেপি নেতা তাজিন্দর পাল সিং বাগগা বলেন, কংগ্রেস নেত্রী এখন দুর্নীতিতে যুক্ত নন। তাই তিনি বাড়ির ভাড়া দিতে পারছেন না। টুইটারে বাগগা লিখেছেন, “ভোটে হেরে যাওয়ার পরে সনিয়া গান্ধী বাড়িভাড়া দিতে পারছেন না। এটাই স্বাভাবিক। কারণ তিনি এখন দুর্নীতিতে যুক্ত হতে পারছেন না। আমি মানবিক কারণে তাঁকে সাহায্য করতে চাই।”

You might also like