Latest News

রেলের ১ লক্ষ ৪০ হাজার পদে নিয়োগের জন্য পরীক্ষা ১৫ ডিসেম্বর

দ্য ওয়াল ব্যুরো : রেলে নিয়োগের প্রথম দফায় কম্পিউটার নির্ভর পরীক্ষা শুরু হবে ১৫ ডিসেম্বর থেকে। ভারতীয় রেলের বোর্ড চেয়ারম্যান ভি কে যাদব শনিবার একথা জানিয়েছেন। এদিন ভার্চুয়াল সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, তিনটি ক্যাটেগরিতে ১ লক্ষ ৪০ হাজার পদে নিয়োগের জন্য পরীক্ষা নেওয়া হবে। শূন্য পদগুলির মধ্যে আছে গার্ড, ক্লার্ক, ট্র্যাক মেনটেনার্স, পয়েন্টসম্যান ইত্যাদি।

কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী পীযূষ গয়ালও টুইটারে পরীক্ষার দিনক্ষণ জানিয়েছেন। রেলবোর্ডের চেয়ারম্যান বলেন, কোভিড অতিমহামারীর জন্যই এতদিন শূন্য পদগুলি পূরণ করা যায়নি। তাঁর কথায়, “বিভিন্ন ক্যাটেগরিতে ১ লক্ষ ৪০ হাজার ৬৪০ টি শূন্যপদ পূরণের জন্য আমরা অ্যাপ্লিকেশন আহ্বান করেছিলাম। অতিমহামারী শুরুর আগে এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। আবেদনপত্রগুলি খতিয়ে দেখার কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু অতিমহামারীর জন্য কম্পিউটার নির্ভর পরীক্ষার প্রক্রিয়া শেষ করা যায়নি।”

রেলের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিজ্ঞপ্তিতে যে ভ্যাকেন্সিগুলির কথা বলা হয়েছে, প্রতিটির জন্য কম্পিউটার নির্ভর পরীক্ষা নিতে রেল দায়বদ্ধ। অতিমহামারীর পরিস্থিতিতে কীভাবে ওই পরীক্ষা নেওয়া যায়, ভেবে দেখা হচ্ছে।

শনিবারই সরকারি চাকরিতে ‘নিয়োগ বন্ধ’ হওয়ার বিরুদ্ধে সরব হন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। তিনি টুইট করে বলেন, “মোদী সরকার মিনিমাম গভর্নমেন্ট, ম্যাক্সিমাম প্রাইভেটাইজেশনে বিশ্বাসী। কোভিড একটা ছুতো মাত্র। সরকার চায়, কোনও সরকারি অফিসে স্থায়ী চাকুরে থাকবে না। যুবকদের ভবিষ্যৎ নষ্ট হবে। কেবল বিজেপির বন্ধুদের উন্নতি হবে।” এই মন্তব্যের সঙ্গে রাহুল খবরের কাগজের একটি কাটিং-এর ছবি স্ক্যান করে পোস্ট করেছেন। ওই কাগজে লেখা হয়েছে, খরচ কমানোর জন্য কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরিতে এখন নতুন কোনও পোস্ট তৈরি হচ্ছে না। ১ জুলাই থেকে কোনও মন্ত্রকে নতুন কর্মী নিয়োগ করা হচ্ছে না। কোনও পদে নিয়োগ করা যদি নিতান্তই প্রয়োজন হয়, তাহলে আগে ব্যয় সংক্রান্ত দফতরের কাছে প্রস্তাব পাঠাতে হচ্ছে।

এদিন রাহুলের মন্তব্যের প্রতিবাদে টুইট করে ডিপার্টমেন্ট অব এক্সপেন্ডিচার। টুইটে লেখা হয়েছে, “ডিপার্টমেন্ট অব এক্সপেন্ডিচার যে সার্কুলার দিয়েছে, তাতে অর্থমন্ত্রকের মধ্যে নতুন পদ তৈরি করা নিয়ে মন্তব্য করা হয়েছে। কিন্তু এর ফলে কোনওভাবে নিয়োগ বন্ধ হবে না।” পরে বলা হয়েছে, “ভারত সরকারের কোনও পদে লোক নিতে বারণ করা হয়নি। স্টাফ সিলেকশন কমিশন, ইউপিএসসি, রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ড ইত্যাদির মাধ্যমে স্বাভাবিকভাবেই নিয়োগের প্রক্রিয়া চলবে।”

You might also like