Latest News

সভাপতি পদে ফেরার প্রস্তাব বিবেচনা করবেন, বললেন রাহুল, ঘুরিয়ে সম্মতি!

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের কংগ্রেসের (Congress) সভাপতি হওয়ার প্রস্তাব তিনি ‘বিবেচনা’ করে দেখবেন, বললেন রাহুল গান্ধী। সনিয়া পুত্রের এই প্রতিক্রিয়াকে ঘুরিয়ে সম্মতি বলে ধরে নিচ্ছেন কংগ্রেসের নেতা-কর্মীরা।

শনিবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক। সেখানে প্রথমে ঠিক হয়, আগামী বছর সেপ্টেম্বরে হবে দলীয় সভাপতি নির্বাচন। এর পরেই ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী প্রবীণ কংগ্রেস নেতা অশোক গেহলট বলেন, রাহুল গান্ধীই ফের সভাপতি হন। সেই প্রস্তাবের জবাবেই রাহুল বিবেচনার কথা বলেন। রাহুল শেষ পর্যন্ত ফের দলীয় সভাপতি পদে বসলে ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনেও তাঁরই মোদীর বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। আর তা হলে কংগ্রেসের নেতৃত্ব ঘিরে বিরোধী শিবিরে গোলমাল অনিবার্য। রাজনৈতিক মহলের অনেকেই মনে করছেন, রাহুলকে ঠেকাতে তৃণমূল কংগ্রেস ও এনসিপি-র ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। এই দুই দলই নাম না করে বুঝিয়ে দিয়েছে, রাহুলের নেতৃত্ব তারা মানবে না। কারণ, ২০১৪ এবং ২০১৯-এর লোকসভা ভোটে নাম না করে রাহুলই ছিলেন কংগ্রেস তথা ইউপিএ-র প্রধানমন্ত্রী মুখ। দু’বারই চরম ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। একাধিক রাজ্যও কংগ্রেসের হাতছাড়া হয়েছে।

তবে তাৎপর্যপূর্ণ হল, ওয়ার্কিং কমিটির শনিবারের বৈঠকে গান্ধী পরিবারের আধিপত্যই মোটের উপর বজায় ছিল। এখনও পর্যন্ত যা খবর, তাতে বিক্ষুব্ধ শিবিরের নেতারা সনিয়ার বক্তব্য শোনার পর তেমন বিরোধিতার রাস্তায় হাঁটেননি। মনে করা হচ্ছে, অত্যন্ত পরিকল্পনা করেই সনিয়া, রাহুল, প্রিয়াঙ্কা এবং ১০ জনপথের ঘনিষ্ঠ মহল এদিনের বৈঠকেক ঘুঁটি সাজান। বৈঠকে প্রারম্ভিক ভাষণেই সনিয়া বলেন, আমিই কংগ্রেসের সর্বক্ষণের সক্রিয় সভাপতি। আরও বলেন, আমি দলে খোলামেলা আলোচনায় বিশ্বাস করি। আমাকে কিছু বলার থাকলে আমার সঙ্গে দেখা করেই তা বলা যেতে পারে। মিডিয়ার মাধ্যমে বলার অর্থ হয় না।

সনিয়ার এই বক্তব্য যে দলের বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠী বলে চিহ্নিত গ্রুপ-২৩-র সমালোচনার জবাব তাতে কোনও সংশয় নেই। ওই শিবিরের নেতা কপিল সিব্বল দিন কয়েক আগে পাঞ্জাবে দলের রাজ্য সভাপতি এবং পরে মুখ্যমন্ত্রী বদল নিয়ে বলেন, দলে সর্বক্ষণের সভাপতি নেই। তাহলে এমন সব গুরুতর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন কে? তাঁর নিশানা ছিল রাহুল।

You might also like