Latest News

চিনের সেনাও তেমন ক্ষতি করেনি, যা হয়েছে নোটবন্দি, জিএসটি’তে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারত জোড়ো যাত্রায় প্রথম থেকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নাম খুব একটা মুখে আনছেন না রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। গেরুয়া শিবিরকে আক্রমণে আরএসএস-কে নিশানা করছেন বটে, কিন্তু বিজেপির (BJP) নামও নিচ্ছেন কদাচিৎ। যাত্রার মূল লক্ষ্য হিসাবে বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধেই সরব হয়েছেন তিনি। কিন্তু গুজরাত বিধানসভার ভোট এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে কৌশল বদলে মোদী সরকারের (Modi Government) সমালোচনায় মুখর হতে শুরু করেছেন প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি।

রাহুলের অভিযোগ, জিএসটি এবং নোটবন্দিতে যে ক্ষতি দেশের হয়েছে, চিনা সেনার আক্রমণেও তা হয়নি। রাহুলের মতে, দুটিই বিপর্যয়মূলক নীতি। ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ী, ছোট উদ্যোক্তা এবং কৃষকদের হাতে নগদের জোগান কমে গিয়েছে, যারা দেশে কর্মসংস্থানের আসল কারিগর। কংগ্রেস নেতার কথায়, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ী এবং কৃষকদের পুনরুজ্জীবিত না করা গেলে, ভারতে বেকারি ঘুঁচবে না।

Image - চিনের সেনাও তেমন ক্ষতি করেনি, যা হয়েছে নোটবন্দি, জিএসটি’তে

মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের জনসভায় রাহুল চিনের প্রসঙ্গ তোলেন। কংগ্রেস-সহ বিরোধীদের অভিযোগ, গালোয়ানে চিনা সেনা ভারতের ভূখণ্ড দখল করে বসে আছে। ভারতীয় সেনা চাইলেই তাদের ভাগিয়ে দিতে পারে। কিন্তু সরকার সবুজ সংকেত দিচ্ছে না। এই ব্যাপারে বিরোধীদের মধ্যে রাহুল গান্ধী সবচেয়ে সরব। বিগত কয়েক মাস যাবৎ এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে লাগাতার আক্রমণ শানিয়ে চলেছেন তিনি।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, রাহুলের এই কৌশলের কারণ, কংগ্রেস জমানায় চিনের সঙ্গে যুদ্ধে ভারতের পরাজয়কে গেরুয়াবাদীরা সুযোগ পেলেই ইস্যু করে থাকে। স্বাধীনতা প্রাপ্তির কয়েক বছরের মধ্যে হওয়া সেই যুদ্ধে ভারতের অর্থনীতি আরও বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

পাল্টা রাহুল তাই দেখাতে চান, পুরোদস্তুর যুদ্ধ দূরে থাক, সীমান্ত সংঘাতেও সেনাদের ফ্রি হ্যান্ড দিচ্ছে না মোদী সরকার। কংগ্রেস যা দেশের সার্বভৌমত্ব বিসর্জনের শামিল বলছে।

ভারত জোড়ো যাত্রা নিয়ে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে পৌঁছে রাহুল চিন প্রসঙ্গ টেনে ঘরোনা রাজনীতির ইস্যু ধরে নাম না করে মোদীকে নিশানা করেছেন। ইন্দোরের রাজওয়াদা প্রাসাদ লাগোয়া ময়দানের সমাবেশে প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি নিয়ে মোদী সরকারকে কটাক্ষ করেন। বলেন, ‘বর্ধিত মূল্যের অর্থ কোথায় যাচ্ছে? এই টাকা মানি ট্রান্সফার নামক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দু’জন ধনকুবেরের পকেটে যাচ্ছে।’ কংগ্রেস নেতার আরও অভিযোগ, এই টাকাই খরচ করা হচ্ছে বিধায়ক কেনাবেচায়।

প্রসঙ্গত, ২০১৭-তে মধ্যপ্রদেশে ক্ষমতায় ফিরেছিল কংগ্রেস। রাহুল তখন দলের সভাপতি। কিন্তু পরের বছরই জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াকে সামনে রেখে কংগ্রেস বিধায়কদের দলে টেনে ক্ষমতায় ফেরে বিজেপি। রাহুল সেই ঘটনায় টাকা-পয়সা লেনদেনের অভিযোগ আগেই তুলেছিলেন।

আগামী বছরই মধ্যপ্রদেশে বিধানসভার ভোট। ইন্দোরের সভায় রাহুল কথা দেন, কংগ্রেস ক্ষমতায় ফিরলে দেশের পরিচ্ছন্নতম এই শহরকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলা হবে। এই শহরেই হবে দেশের বৃহত্তম বিমানবন্দর।

গলা এফোঁড়-ওফোঁড় করে দিয়েছে ত্রিশূল! অভাবনীয় অস্ত্রোপচার এনআরএস-এ, দেখুন শিউরে ওঠা ভিডিও

You might also like