Latest News

ইসলামিক দুনিয়ায় ভারত বিরোধী প্রচারে পাক যোগ, সক্রিয় ইমরানের পার্টিও

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইসলাম অবমাননার (Prophet Debate) জিগির তুলে গোটা ইসলামিক বিশ্বকে ভারতের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তুলতে চাইছে পাকিস্তান (Pakistan)। ইসলামিক দেশগুলিতে সমাজ মাধ্যমে ভারতে নবীর অবমাননা নিয়ে জোর প্রচার চলছে। জনসাধারণের প্রতিক্রিয়ার চাপে বহু দেশ মুখ খুলতে বাধ্য হচ্ছে। অনেক দেশ ভারতীয় রাষ্ট্রদূতদের ডেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

ইতিমধ্যে ১৫টি দেশ মুখ খুলেছে। তাতে কাছের দেশ ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপও রয়েছে। এছাড়া আরব দুনিয়ার বহু দেশ ছাড়াও ৫৭টি ইসলামিক দেশের মঞ্চ ওআইসি বা অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কান্ট্রিস জোরালো প্রতিবাদ জানিয়েছে।

সূত্রের খবর, ভারতীয় গোয়েন্দা এজেন্সিগুলি লাগাতার নজরদারি চালিয়ে প্রায় ৭৫০টি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করেছে যেগুলির পিছনে পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রভাবশালী সংগঠন কাজ করছে বলে জানা যাচ্ছে। এছাড়া সদ্য ক্ষমতাচ্যুত পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের (Imran Khan) পার্টি তেহরিক ই ইনসাফ বা পিটিআই-এর মদতও রয়েছে।

ইমরান ইদানীং ভারত সম্পর্কে এক এক সময় এক এক রকম কথা বলছেন। তবে ক্ষমতা হারানোর মুখে অতীতের মত ভারত বিরোধী সুর চড়াননি। আবার কাশ্মীরের জেকেএলএফ নেতা ইয়াসিন মালিককে দিল্লির আদালত জঙ্গি তৎপরতার অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাবাসের সাজা শোনানোর পর বর্তমান পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের পাশাপাশি ইমরানও ভারতের নিন্দায় মুখর হয়েছিলেন।

এখন জানা যাচ্ছে, ইসলামিক দেশগুলিকে হিন্দুস্থানের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তুলতে পাক গোয়েন্দাদের পাশাপাশি ইমরানের পার্টিও সক্রিয়।

কেন ইমরানের পার্টি এই ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে? কূটনৈতিক মহল মনে করছে, পাকিস্তানের পরবর্তী ভোটের কথা মাথায় রেখেই ইমরানের দল এই কৌশল নিয়ে থাকতে পারে। সে দেশে অবিলম্বে ভোট ঘোষণার দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে গুচ্ছ মামলা হয়েছে। ইমরান হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, আদালত অবিলম্বে জাতীয় পরিষদের ভোটের নির্দেশ না দিলে তাঁর দল ফের পথে নামবে। পাক রাজনীতিতে ভারত বিরোধিতার ভোটের মূল্য অনেক। সেই কারণেই পিটিআই ইসলামিক দুনিয়ার সামাজিক মাধ্যমে ভারত বিরোধিতা উস্কে দিচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে নয়াদিল্লি এখনই পাক ভূমিকার বিষয়টি সরকারি ভাবে প্রকাশ্যে নাও আনতে পারে। কারণ, সেক্ষেত্রে প্রতিবাদী রাষ্ট্রগুলি মনে করতে পারে পাক যোগের কথা বলে তাদের ক্ষোভকে গুরুত্ব দিচ্ছে না ভারত। নয়াদিল্লি সে ব্যাপারে সতর্ক। তারা চাইছে ধীরে ধীরে পদক্ষেপ করতে।

তবে, এখনও পর্যন্ত নয়াদিল্লি নিজেদের অবস্থানে অনড়। ভারতের বক্তব্য, বিজেপির দুই মুখপাত্রের বক্তব্যকে ভারত সরকারের সঙ্গে এক করে দেখা ঠিক নয়। বিজেপিও ওই দুই মুখপাত্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।

দেশের কংগ্রেস খারাপ, বাংলার কংগ্রেস ভাল, ফের জোটের দরজা খুলে রাখল সিপিএম

You might also like