Latest News

প্রার্থী কি হতে পারেন প্রিয়ঙ্কাও? মেয়ের বাড়িতে সনিয়ার একান্ত বৈঠক ঘিরে জল্পনা দিল্লিতে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কংগ্রেস সভাপতি পদে (Congress President Election) নির্বাচন ঘিরে দলের অন্দরে চর্চায় নয়া মাত্রা যোগ করল মেয়ে প্রিয়ঙ্কার (Priyanka Gandhi) সঙ্গে কংগ্রেসের অন্তবর্তীকালীন সভাপতি সনিয়া গান্ধীর একান্ত বৈঠক। কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচন ঘিরে দিল্লির ১০, জনপথ অর্থাৎ সনিয়া গান্ধীর (Sonia Gandhi) সরকারি বাংলোয় এখন নেতাদের আনাগোনা বেড়ে গিয়েছে। এরই ফাঁকে মেয়ে প্রিয়ঙ্কার বাড়ি গিয়ে তাঁর সঙ্গে একান্তে ঘণ্টাখানেক সময় কথা বলেন সনিয়া। মা-মেয়ের বৈঠক নিয়ে এখন কংগ্রেসের অন্দরে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, সব সম্ভাবনায় জল ঢেলে দিয়ে সেই ফের ঘুরিয়ে গান্ধী পরিবারের হাতেই যেতে পারে কংগ্রেস সভাপতির পদ।

সনিয়া গতকাল একটু বেশি রাতেই প্রিয়ঙ্কার বাড়িতে গিয়েছিলেন। সাধারণত, উল্টোটাই হয়ে থাকে। নির্বাচন-সহ রাজনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে থাকাকার সময় প্রিয়ঙ্কাই মায়ের বাড়িতে বেশিরভাগ সময় কাটান। সেখানে তাঁর ও রাহুলের জন্য পৃথক ঘরের ব্যবস্থা আছে। কিন্তু সনিয়া ভিড়ভাট্টার মধ্যে প্রিয়ঙ্কাকে বাড়িতে না ডেকে নিজেই গিয়েছিলেন মেয়ের কাছে।

তাৎপর্যপূর্ণ হল, কংগ্রেসের হাল ফেরাতে ‘প্রিয়ঙ্কা লাও-কংগ্রেস বাঁচাও’ স্লোগানের বয়স নয় নয় করে বছর দশেক হয়ে গেল। কিন্তু সনিয়া ২০১৭-তে দলীয় সভাপতির ব্যাটন তুলে দেন ছেলে রাহুলের হাতে। ২০১৯-এর লোকসভা ভোটে ব্যর্থতার দায় নিয়ে রাহুল গান্ধী সভাপতির পদ ছেড়ে দেওয়ার পর ফের প্রিয়ঙ্কাকে ওই পদে বসানোর দাবি ওঠে। কিন্তু সনিয়া তা হতে দেননি। সিনিয়র নেতাদের পরামর্শে নিজেই হয়ে যান অন্তবর্তী সভাপতি।

আর এবার গান্ধী পরিবার ঠিক করেছে, তাদের কেউ সভাপতি পদের নির্বাচনে নেই। গান্ধী পরিবারের বাইরের কেউ সভাপতি হোক। কিন্তু অসমের কংগ্রেস সাংসদ আবদুল খালেক বিগত কয়েকদিন ধরেই বলে চলেছেন, প্রিয়ঙ্কাকে কংগ্রেস সভাপতি করা হোক। তিনি এখন যথেষ্ট পরিপক্ক এবং সাংগঠনিক বিষয়েও অবগত।

খালেকের বক্তব্য, সরকারিভাবে প্রিয়ঙ্কা এখন গান্ধী পরিবারের কেউ নন। তিনি বড়রা পরিবারের সদস্যা। ফলে তিনি সভাপতি হলে বলা যাবে না, গান্ধী পরিবারের কেউ ওই পদে বসেছেন। লক্ষণীয় হল, খালেকের টুইট কংগ্রেসের অনেক নেতা-কর্মী রি-টুইট করেছেন। ফলে সনিয়া-প্রিয়ঙ্কার বৈঠক এবং খালেকের টুইট ঘিরে অনেকেই দুয়ে দুয়ে চার করা শুরু করেছেন। তবে সবটাই নির্ভর করবে সনিয়া ও রাহুলের উপর।

কংগ্রেসের একটি মহল অবশ্য বলছে, সনিয়া মেয়ের কাছে গিয়েছিলেন রাজস্থান নিয়ে আলোচনা করতে। রাজস্থান সংকট আড়াল থেকে প্রিয়ঙ্কা দেখভাল করছেন। তিনিই চাইছেন অশোক গেহলটকে সরিয়ে সচিন পাইলটকে মুখ্যমন্ত্রী করতে। কিন্তু তার পরিনাম ভাল হবে না, জানেন সনিয়া। পাঞ্জাবের পুনরাবৃত্তি হওয়া অসম্ভব নয়। অর্থাৎ গেহলট কংগ্রস থেকে বেরিয়ে গিয়ে নতুন দল গড়ে বিজেপির হাত ধরলেন। কারণ, বিধায়কদের নব্বই ভাগ এখনও তাঁর সঙ্গে। ফলে সচিনকে চাপিয়ে দিলে মরুঝড় অবশ্যম্ভাবী।

পরীক্ষা চলাকালীন কাবুলের স্কুলে ব্যাপক বিস্ফোরণ! প্রাণ গেল অন্তত ১৯ জনের, আহত বহু

You might also like