Latest News

POCSO : মায়ের প্ররোচনায় বাবা, কাকার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করেছিল কিশোরী, জানাল কোর্ট

দ্য ওয়াল ব্যুরো : নিজের কিশোরী কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে তিন বছর জেলে (POCSO) ছিলেন বাবা। অভিযোগ, মেয়েটির কাকাও তাকে ধর্ষণ করেছিলেন। তাঁকেও তিন বছর জেলে (POCSO) কাটাতে হয়েছে। কিন্তু শেষপর্যন্ত শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ আইন (POCSO) থেকে দু’জনকেই মুক্তি দিল বিশেষ আদালত। বিচারকের বক্তব্য, মায়ের প্ররোচনায় ১৪ বছরের ওই কিশোরী বাবা ও কাকার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনেছিল।

আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, “এই মামলায় অভিযোগকারিণী যে মৌখিক অভিযোগ (POCSO) করেছে, তা নির্ভরযোগ্য নয়। মেয়েটির মা তাঁর স্বামী ও শাশুড়ির থেকে আলাদা থাকেন। মায়ের প্ররোচনায় মেয়েটি মিথ্যা অভিযোগ এনেছিল।”

২০১৮ সালের ১২ নভেম্বর মেয়েটির মা অভিযোগ করেন, তাঁর স্বামী ও দেওর একাধিকবার মেয়েটিকে ধর্ষণ করেছেন। অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে মেয়েটি বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়েছে। কিন্তু বিশেষ বিচারক প্রীতি কুমার ধুলে বলেন, “আইন মনে করে, ছোটদের দিয়ে সহজেই মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ানো যায়। মেয়েটির মা দুই অভিযুক্তের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করেন। কেউ যাতে মিথ্যা অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত না হয়, তা দেখা আমাদের কর্তব্য।”

আদালতের বক্তব্য, অভিযোগকারিণী কিশোরী মিথ্যা বয়ান দিয়েছে। সে বলেছে, তার বাবা-মায়ের মধ্যে ঝগড়া হত না। এই বয়ান থেকে বোঝা যায়, অভিযোগকারিণী সত্য গোপন করতে চেয়েছিল। তার বয়ান বিশ্বাসযোগ্য নয়।

বিচারপতি বলেন, “অভিযোগকারিণী দু’বার দু’রকম বয়ান দিয়েছে। সুতরাং প্রমাণ হিসাবে তা গ্রাহ্য করা হবে না।” অভিযোগকারিণীকে চিকিৎসকরা পরীক্ষা করেছিলেন। তাঁরাও এমন কোনও প্রমাণ পাননি যাতে মনে হয়, মেয়েটি ধর্ষিত হয়েছিল। সেজন্য আদালত মেয়েটির বাবা ও কাকাকে সব অভিযোগ থেকে মুক্তি দেয় এবং অবিলম্বে জেল থেকে ছেড়ে দিতে বলে।

আরও পড়ুন : হালাল মাংস বিক্রি! মুসলিম দোকানিকে বেধড়ক মারধর করল বজরং দল

You might also like