Latest News

দাঁতের ডাক্তার থেকে আইপিএস, সিমির সঙ্গে মস্করা মোদীর! দেখুন ভিডিও

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছিলেন দাঁতের চিকিৎসক, হয়েছেন আইপিএস অফিসার। সাদা এপ্রন বদলে গেছে খাকি পোশাকে। পাঞ্জাবের দাঁতের ডাক্তার এবং পুলিশ নভজ্যোৎ সিমি এখন যেন নারীশক্তির এক অন্যতম প্রতিভূ।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় সিমি শেয়ার করেছেন তাঁর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কথোপকথন। বুদ্ধিদীপ্ত মজায় মোড়া সে কথোপকথনে আনন্দ পেয়েছেন নেটিজেনরাও। উপস্থিত বুদ্ধিতে এবং তাৎক্ষণিক জবাবে যেন কম যান না কেউই!

শনিবার হায়দরাবাদের একটি পুলিশ ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে সিমির সঙ্গে কথা হয় মোদীর। সেখানে মোদী তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, “দেশের শত্রুদের দাঁত নষ্ট করার পথে কেন এলেন? আপনার তো সাধারণ মানুষের দাঁতে ব্যথা দূর করার কথা ছিল!”

সঙ্গে সঙ্গে হেসে উত্তর দেন সিমি। বলেন, “আমি অনেক দিন ধরেই মানুষের জন্য কাজ করছি। একজন ডাক্তার হোক বা পুলিশ, দুজনেরই কাজ মানুষের সমস্যা দূর করা। তাই আমি মানুষের সেবা করার জন্যই আরও বড় একটা কাজে যোগ দিয়েছি।”

এই কথোপকথনের ভিডিও ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করে সিমি লেখেন, “সম্মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে আমি ধন্য। আপনার পরামর্শ আমাদের জন্য অমূল্য। আমরা ‘নতুন ভারত’ গড়ার জন্য মানুষের জন্য আমাদের সেরাটা দিয়ে কাজ করব।”

দেখুন ভিডিও।

ওই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জানান, নভজ্যোৎ সিমি নতুন প্রজন্মের কন্যাসন্তানদের বেশি করে উদ্বুদ্ধ করবেন পুলিশবাহিনীতে যোগ দিতে। তাঁর পুলিশ ট্রেনিংয়ের অভিজ্ঞতার কথাও জানতে চান মোদী। উত্তরে নিজের কথা জানিয়ে সিমি বলেন, “আমি যখনই কাজ করব, মহিলাদের জন্য কিছু করার চেষ্টা করব, মহিলাদের শিক্ষার দিকে নজর দেব।”

সব শুনে মোদী বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, আপনি অনেক উন্নতি করবেন এবং অনেকের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবেন। আপনার হাত ধরে দেশের পুলিশবাহিনীর আরও অগ্রগতি হবে।”

১৯৮৭ সালের ১ ডিসেম্বর পাঞ্জাবের গুরুদাসপুরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন নভজ্যোৎ সিমি। ছোট থেকেই পুলিশ অফিসার হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন তিনি। তবে প্রথম জীবনে একজন চিকিৎসক হয়েও, নিজের স্বপ্নকে সত্যি করে দেখিয়েছেন এই পাঞ্জাবের মেয়ে।

পাঞ্জাবের পাখোওয়ালের পাঞ্জাব মডেল পাবলিক স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনা শেষ করেন নভজ্যোৎ সিমি। এরপর ২০১০ সালে লুধিয়ানায় ‘বাবা যশবন্ত সিং ডেন্টাল কলেজ, হাসপাতাল ও গবেষণা ইনস্টিটিউট’ থেকে ডেন্টাল সার্জারি ডিগ্রি লাভ করেন। তবে একজন চিকিৎসক হয়েও মন থেকে আইপিএস হওয়ার স্বপ্ন মুছে যায়নি তাঁর।

তাই দিল্লি গিয়ে ইউপিএসসি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি শুরু করেন। ২০১৬ সালে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় সফল হলেও ইন্টারভিউ থেকে ফিরতে হয় সিমিকে। তবে প্রথমবার ব্যর্থ হলেও হাল ছাড়েননি সিমি। আবারও ২০১৭ সালে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা দিয়ে ৭৩৫তম র‍্যাঙ্ক নিয়ে আইপিএস অফিসার হন। এখন তিনি বিহার ক্যাডারে রয়েছেন।

You might also like