Latest News

PK : গুজরাত, হিমাচলে হারবে কংগ্রেস, মনে করেন প্রশান্ত কিশোর

দ্য ওয়াল ব্যুরো : বছর শেষে গুজরাত ও হিমাচল প্রদেশে বিধানসভার ভোট। দু’টি রাজ্যই বর্তমানে বিজেপির দখলে। ভোটের ফল কী হতে পারে? সেই প্রশ্নের জবাব দেননি ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর (PK)। কিন্তু জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি মনে করেন, দুই রাজ্যেই কংগ্রেস হারবে।

সদ্য রাজস্থানের উদয়পুরে শেষ হয়েছে কংগ্রেসের চিন্তন শিবির। প্রশান্ত (PK) জানিয়েছেন, চিন্তন শিবির থেকে কংগ্রেস কী পেল, অনেকেই তা নিয়ে তাঁর প্রতিক্রিয়া চেয়েছেন। এতদিন কোনও মন্তব্য করেননি। আজ টুইট করে বলেছেন, চিন্তন শিবির থেকে কংগ্রেসের প্রাপ্তি বলতে গেলে শূন্য। এরপরই তিনি খানিক হাল্কা বিদ্রুপের সুরে বলেছেন, গুজরাত ও হিমাচল প্রদেশে পরাজয় পর্যন্ত কংগ্রেস নেতারা সময় পেলেন, এই আর কী। বোঝাই যাচ্ছে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, কংগ্রেস আবার জেগে উঠবে ওই দুই রাজ্যে পরাজয়ের পর।

গুজরাতে কংগ্রেসের অবস্থা কিছুদিন আগেও অনেক রাজ্যের থেকে ভাল ছিল। পাঁচ বছর আগের বিধানসভা ভোটেও কংগ্রেস ক্ষমতায় আসতে না পারলে সম্মানজনক বিরোধী দলের জায়গা ধরে রেখেছিল। কিন্তু বিধানসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে ততই গোলমাল চড়ছে ওই রাজ্যে। প্রদেশ কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি হার্দিক প্যাটেল গত পরশু দল ছেড়েছেন। সম্ভবত তিনি বিজেপির সঙ্গে হাত মেলাতে চলেছেন।

হিমাচলে কংগ্রেসের অবস্থা অনেক দিনই ভাল নয়। তার উপর পাশের রাজ্য পাঞ্জাবে প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি সুনীল জাখর সদ্যই বিজেপিতে যোগ গিয়েছেন। পাঞ্জাবের রাজনীতির পরোক্ষ প্রভাব পড়ে হিমাচলে।

ঘটনাচক্রে পাঞ্জাবে সরকার দখলের পর আম আদমি পার্টি নতুন উদ্যোমে গুজরাত ও হিমাচলে সরকার দখলে ঝাঁপাচ্ছে। ঘন ঘন ওই রাজ্য দুটিতে ছুটছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। বলাই বাহুল্য, বিজেপি ক্ষমতায় থাকলেও তাঁর পয়লা নম্বর টার্গেট কংগ্রেস। দুই রাজ্যেই আপ প্রচার করা শুরু করেছে, বিরোধী দল হিসাবে কংগ্রেস পুরোপুরি ব্যর্থ। ফলে কংগ্রেস যে দুই রাজ্যেই বাড়তি চাপে আছে সেটা ভোটের সাধারণ অঙ্কেও বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।

উদয়পুরে চিন্তন শিবির শুরুর দিন কয়েক আগে পর্যন্ত সনিয়া গান্ধী সহ কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে প্রশান্তের দফায় দফায় কথা হয়। তিনি কংগ্রেসে যোগদানের ব্যাপারে পা বাড়িয়ে রেখেছিলেন। তার আগে দলকে ঘুরে দাঁড়ানোর নানা দাওয়াই বাতলেছেন। পি চিদম্বরম, দিগ্বিজয় সিংয়ের মতো নেতারা এই ভোট কুশলীর প্রস্তাবগুলিকে নতুন দিশা বলে মন্তব্য করেছেন। তারপরও কংগ্রেসে যোগদানের প্রশ্নে প্রশান্তের প্রস্তাবের সঙ্গে মতের মিল হয়নি দলীয় নেতৃত্বের।

তবে উদয়পুরে কংগ্রেসের গৃহীত প্রস্তাব ও আলোচনার মধ্যে প্রশান্তর প্রস্তাবের সাদৃশ্য দেখা গিয়েছে। যেমন, কমবয়সীদের নেতৃত্বে আরও জায়গা করে দেওয়ার সুপারিশ। দলের সঙ্গে সাধারণ মানুষ ও মিডিয়ার সংযোগ আরও বিজ্ঞানসম্মত করার সুপারিশও কংগ্রেস উদয়পুরের শিবির থেকে কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু প্রশান্ত নিজে মনে করেন, উদয়পুর থেকে কংগ্রেসের প্রাপ্তি শূন্য।

আরও পড়ুন : পরীক্ষা না দিয়েই এইমসে চাকরি পেয়েছেন বিজেপি বিধায়কের পুত্রবধূ! এবার তোলপাড় চাকদহে

You might also like